মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে স্বামীর ভোল বদল, দাবি ৫০ লাখ পণ! শ্বশুরবাড়ির সামনে ধর্নায় বসে নববধূ
বিয়ের পর মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে ৫০ লক্ষ টাকা পণের দাবি! মুজাফফরনগরের (Muzaffarnagar) বাসিন্দা বছর ৩০ এর শালিনী সাঙ্গাল, গত একমাস আগে ৩২ বছর বয়সী প্রণব সিংগালের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। বিয়ের পর ইন্দোনেশিয়ার বালিতে মধুচন্দ্রিমায় গিয়েছিলেন এই নব দম্পতি (Newlyweds)। কিন্তু সেখানে পৌঁছে শালিনী বুঝতে পারেন, স্বামী প্রণব তাঁর সঙ্গে আচমকায় কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছেন এবং সেখানেই ৫০ লক্ষ টাকা পণের দাবি (dowry demand) করে বসেন।
ঘটনার পরেই তাঁর শ্বশুরবাড়ির বাইরে ধর্নায় বসে ন্যায় বিচার চাইছেন শালিনী দেবী। তিনি জানিয়েছেন, বালিতে থাকাকালীনই স্বামী তাঁকে জানিয়েছেন যে বিয়ে এবং মধুচন্দ্রিমায় প্রচুর টাকা খরচ হয়েছে। যা পূরণ করতে শালিনীকে তার বাবার কাছ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা এনে দিতে হবে। তবে রাজি হননি তিনি।

দাবি প্রত্যাখ্যান করায় দেশে ফেরার পর শ্বশুরবাড়িতে তাঁর প্রতি অবহেলা এবং দুর্ব্যবহার ক্রমাগত বাড়তে থাকে। অবশেষে হোলির দিন তাঁকে তাঁর বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেই থেকে শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে তাঁর কাছে কোনও রকম ফোন বা তাঁর খবর নেওয়া হয়নি বলেই অভিযোগ। বেশ কিছুদিন পর নিজেই শ্বশুরবাড়িতে ফিরে আসেন শালিনী।
তবে শালিনী দেবীকে শ্বশুরবাড়িতে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি বলেই অভিযোগ। ঘটনার পর তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শ্বশুরবাড়ির বাইরে ধর্নায় বসেছেন তিনি। কিন্তু অতিক্রান্ত হয়েছে ১২ ঘণ্টা, তবুও কোনও সদুত্তর মেলেনি শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে।
এদিকে প্রণব বাবু পণ চাওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন যে তিনি ও তাঁর পরিবার তাদের নিরাপত্তা নিয়ে ভয় পাচ্ছেন। তিনি সংবাদমাধ্যমে জানান, "আমরা ভয় পাচ্ছি যে সে কী করতে পারে, বিশেষ করে মিরাটের ব্লু ড্রাম ঘটনার পর। সে আমাদের ভয়াবহ পরিণতির হুমকি দিয়েছে। সেই কারণেই আমরা তাঁকে আমাদের বাড়িতে থাকতে দেব না," তিনি অভিযোগ করেন।
তবে স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাঁরা এখনও কোনও পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পাওয়ার পরই তাঁরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।












Click it and Unblock the Notifications