দিল্লিতে বিধানসভা ত্রিশঙ্কু,শীলা দীক্ষিতকে হারালেন কেজরিওয়াল

কংগ্রেসের কাছে অভাবনীয়, কারণ তারা হারবে ভাবেনি। তাও এমনভাবে। টানা ১৫ বছর যারা সরকার চালিয়েছে দিল্লিতে, তারা এবার ১০টি আসনও পায়নি! বিজেপি-র কাছে অভাবনীয়, কারণ নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতার চৌকাঠের একটু দূরে থামতে হল। আর আমআদমি পার্টির কাছে অভাবনীয়, কারণ প্রথম নির্বাচন লড়তে নেমে তারা এতটা ধাক্কা দেবে, নিজেরাও কল্পনা করেনি। শুধু ধাক্কা দিল তাই নয়, দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হিসাবে উঠে এল।
দিল্লিতে পালাবদল যে ঘটতে চলেছে, এটা দুপুরেই পরিষ্কার হয়ে যায়। হাওয়া খারাপ বুঝে মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিত পদত্যাগ করেন, চূড়ান্ত ফল ঘোষণার আগে। বিকেল নাগাদ আসে সেই চমকদার খবর। শীলা দীক্ষিতকে ২২ হাজার ভোটে হারিয়ে দিয়েছেন আমআদমি পার্টির নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল। ততক্ষণে উৎসব শুরু হয়ে গিয়েছে আমআদমি পার্টির অফিসে। চলছে বাজি পোড়ানো, মিষ্টি বিতরণ। আন্না হাজারে অভিনন্দন জানান অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে। প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেন, তাঁরা বিজেপি-র সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার গড়বেন না। বিজেপিও বলে দিয়েছে, সরকার গড়তে আমআদমি পার্টির সঙ্গে তারা যাবে না।
এখানেই পাকিয়েছে জট। কারণ, ৭০ আসনের দিল্লি বিধানসভায় নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতা পেতে গেলে দরকার ৩৬টি আসন। বিজেপি পেয়েছে ৩২টি আসন। আমআদমি পার্টি পেয়েছে ২৮টি আসন। কংগ্রেস মাত্র ৮টি এবং অন্যান্যরা ২টি। সুতরাং, দিল্লিতে সরকার গড়ার ব্যাপার কোনদিকে গড়ায়, তা দেখতে কয়েকটা দিন অপেক্ষা করতে হবে।
প্রসঙ্গত, গতবারে কংগ্রেস পেয়েছিল ৪৩টি আসন। বিজেপি পেয়েছিল ২৩টি। গতবারের তুলনায় কংগ্রেস খুইয়েছে ৩৫টি আসন। বিজেপি সেখানে ১০টি আসন বাড়িয়ে নিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications