স্বাধীনতা দিবসে মানব বোমা বিস্ফোরণের ছক! বানচাল করল যোগীর পুলিশ
স্বাধীনতা দিবসে মানব বোমা বিস্ফোরণের ছক! বানচাল করল যোগীর পুলিশ
লখনৌ শহরে দুই সন্দেহভাজন জঙ্গিকে আটক করল উত্তরপ্রদেশ পুলিশের অ্যান্টি টেররিস্ট ওয়ার্ড৷ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে ১৫ আগস্টে যোগীরাজ্যে বেশ কয়েকটি জনবহুল শহরে বিস্ফোরণ ঘটানোর প্ল্যান ছিল জঙ্গিদের।

কী ছিল প্ল্যান?
করোনা সংক্রমণ কমানোর কাজে ব্যস্ত রয়েছেন রাজ্যের বড় অংশের পুলিশবাহিনী৷ সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই বড়সড় বিস্ফোরণের ছক তৈরি করেছিল পাকিস্তান-আফগানিস্তান মদত পুষ্ট সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সদস্যরা৷ স্বাধীনতা দিবষের দিন লখনৌ, এলাহাবাদ, বারানসি সহ একাধিক জায়গাতে ধারবাহিক বিস্ফোরণ ঘটানোর ছক ছিল এই জঙ্গিদের। বড় শপিল মল, বাস স্ট্যান্ড, বাজার, অফিসের মতো জনবহুল জায়গাতে বিস্ফোরণের ছক কষেছিল জঙ্গিরা।

কোন জঙ্গি সংগঠন রয়েছে এর পেছনে?
উত্তরপ্রদেশ পুলিশ সূত্রে খবর আলকায়দা সমর্থিত ভারতীয় সংগঠন আনসার গাজওয়াতুল হিন্দের উত্তরপ্রদেশ শাখাটি এই বিস্ফোরণের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। যোগী পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া মিনহাজ আহমেদ এবং মসিরউদ্দিন এই আনসার গাজওয়াতুলেরই সদস্য বলে জানিয়েছে পুলিশ৷ উত্তরপ্রদেশ এটিএস এই দুই জঙ্গিকে গ্রেফতার করে আগ্নেয়াস্ত্র এবং বোমা তৈরির মেটেরিয়াল উদ্ধার করেছে৷

কী বলছে উত্তর পুলিশ?
যোগী পুলিশের আইন-শৃঙ্খলা এডিজি প্রশান্ত কুমার জানিয়েছেন, পাকিস্তানের পেশোয়ার থেকে এই জঙ্গিকার্যকলাপ চালানোর প্ল্যান করা হচ্ছিল। এই সন্ত্রাসবাদী হামলার পরিকল্পনায় প্রধান মাথা হিসেবে কাজ করত ওমর হালমান্দি৷ উত্তরপ্রদেশে আলকায়দার সংগঠনের মাথা হল এই হালমান্দি৷ তবে এই বিস্ফোরণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রোল পালন করছিল মিনহাজ আহমেদ এবং মসিরউদ্দিন।

আফগানিস্তানে আলকায়দার উত্থান!
সম্প্রতি জানা গিয়েছে আফগানিস্তান নতুন করে থাবা বাগাচ্ছে আলকায়দা৷ আফগানিস্তানে ১৫টি প্রদেশের দখল নিয়েছে জঙ্গি সংগঠনটি৷ এর প্রভাব ভারত সহ অন্য দেশগুলির উপর পড়তে পারে বলে রাষ্ট্রসংঘে একাধিকবার বলেছো দেশ। কিন্তু এখনও এ বিষয়ে কোনও শক্তিশালী পদক্ষেপ নেয়নি রাষ্ট্রসংঘ।












Click it and Unblock the Notifications