কোভিড টিকাকরণের কাউন্টডাউন শুরু দেশে! সরবরাহ প্রক্রিয়া একনজরে
১.৬৫ কোটি কোভিড ভ্যাকসিন সরকার কিনছে বলে আগেই জানিয়েছে মোদী সরকার। ভ্যাকসিন কেনার ক্ষেত্রে ১.১০ কোটি কোভিশিল্ড ও ৫৫ লাখ কোভ্যাক্সিন ডোজ কিনছে মোদী সরকার। আর সেই ডোজগুলি কীভারে প্রবল নিরাপত্তায় সারা দেশে সরবরাহ করা হচ্ছে , তা দেখা যাক।

শুরু হয়ে গিয়েছে সরবরাহ
করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে এই মুহূর্তে অস্ত্র ভ্যাকসিন। পুনের সেরাম ইনস্টিটিউট ইতিমধ্যেই ১,০৮৮ কেজি ভ্যাকসিন পুনের প্রতিষ্ঠান থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠিয়েছে। অন্যদিকে , ভারত বায়োটেকের হায়দরাবাদ দফতর থেকেও রওনা দিয়েছে ভ্যাকসিন। আকাশপথে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় তা পৌঁছেছে কলকাতা, দিল্লি, লখনউ, চেন্নাই, জয়পুর, বেঙ্গালুরুর মতো একাধিক শহরে। যেখানে থেকে বাকি এলাকায় সরবরাহ চলবে।

কেন্দ্র রাজ্য সমন্বয় ও করোনা যুদ্ধ
একবার ভ্যাকসিন রওনা দিলে ,তা সরকারি দায়িত্বে গন্তব্যে পৌঁছানো হচ্ছে। এক্ষেত্রে কেন্দ্র ও রাজ্য সমন্বয় করে ভ্যাকসিনে নজর রাখছে । নির্দিষ্ট ঠান্ডা জায়গায় তা রাখা হচ্ছে কী না, তার খোঁজও রাখছে সরকার। ৩৭ টি জায়গায় তৈরি হয়েছে ভ্যাকসিন স্টোর। ইনস্যুলেটেড ভ্যানে যা সরবরাহ হটচ্ছে, তাতে নজরদারি রয়েছে সরকারের।

কো উইন, স্টোর ও পরবর্তী পদক্ষেপ
ভ্যাকসিন কোনপথ দিয়ে কীভাবে যাচ্ছে তা ট্র্যাক রাখছে কো উই অ্যাপ। এদিকে, একবার একটি রাজ্যে ভ্যাকসিন চলে গেলে,তার দায়িত্ব রাজ্য সরকারের। কোনও মতেই যাতে ভ্যাকসিন নষ্ট না হয় সেই দিক নিশ্চিত করে চলছে সরবরাহ। এই ভাবে প্রতিটি গন্তব্যের স্টোরে যাচ্ছে ভ্যাকসিন। এদিকে, টিকাকরণের জায়গায় মজুত থাকছে বরফের বক্স থেকে আনুষাঙ্গিক জিনিস। সেখানে অবশ্যই থাকতে হবে বিদ্যুৎ যোগ।

টিকাকরণ কেন্দ্রের তথ্য
যে ঘরে টিকাকরণ হবে, সেখানে মাত্র একজন করে ঢুকতে পারবেন। চারজন অফিসারের মধ্যে প্রতিটি কেন্দ্রে একজন প্রধান হিসাবে দায়িত্ব নিয়ে থাকবেন। এদিকে, যিনি ভ্যাকসিন নিতে এসেছেন তাঁকে ফটো আইডি দেখাতে হবে। তার আগে তাঁকে কো উইন অ্যাপে নাম রেজিস্টার করতে হবে। অন্যদিকে লাইনে যাতে সোশ্যাল ডিসটেন্সিং বজায় থাকে তারও বন্দোবস্ত রাখতে হবে টিকাকরণ কেন্দ্রকে।












Click it and Unblock the Notifications