ব্ল্যাক ফাঙ্গাস থেকে সুরক্ষিত থাকবেন কীভাবে, উপায় বাতলে দিলেন দন্ত চিকিৎসকরা
ব্ল্যাক ফাঙ্গাস থেকে সুরক্ষিত থাকবেন কীভাবে, উপায় বাতলে দিলেন দন্ত চিকিৎসকরা
ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে দাঁতে ব্যাথা, দাঁত পড়ে যাওয়া, মারি ফুলে যাওয়া এরকম একাধিক উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। এর থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন কীভাবে তার কয়েকটা উপায় বাতলে দিয়েছেন দন্ত চিকিৎসকরা। এই মারণ ফাঙ্গাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে হলে একটু বেশি সুরক্ষিত থাকতে হবে।

ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণের উপসর্গ
করোনা থেকে সেরে ওঠা রোগীদের শরীরেই বাসা বাধছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস। যাঁদের ডায়াবেিটস রয়েছে তাঁরা বেশি সংক্রমিত হচ্ছেন। চোখ ফুলে যাওয়া, জ্বর, মাথা ব্যাথা, গাল ফুলে যাওয়া, দাঁতে ব্যাথা, দাঁত অসময়ে পড়ে যাওয়া। নাক দিয়ে কালো কস বের হওয়া। এরকম একাধিক উপসর্গ দেখা দিচ্ছে তাঁদের শরীরে।

দাঁত যত্নে রাখুন
মুখে যাতে কোনও রকম সংক্রমণ না ছড়ায় তার জন্য দাঁতের যন্ত নিতে বলছেন দন্ত চিকিৎসকরা। দিনে দুই থেকে তিনবার দাঁত ব্রাশ করতে বলছেন তাঁরা। ঘুম থেকে উঠে সকালে এবং রাতে তো আবশ্যিক দাঁত ব্রাশ করা। দুপুরেও চাইলে দাঁত ব্রাশ করতে পাবেন। ভাল করে কুলকুচি করতে হবে। জিভ পরিষ্কার রাখতে হবে।

ব্রাশ বদল করুন
করোনা আক্রান্ত হয়ে সেরে ওঠা রোগীদের শরীরেই বাড়ছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণ। তাই করোনা থেকে সেরে উঠে সবার আগে ব্রাশ বদল করুন এমনই জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। কারণ একবার নেগেটিভ রিপোর্ট এলেই তাঁরা ব্রাশ বদলের কথা ভুলে যান। যাঁরা সুস্থ হয়ে উঠছেন তাঁরা যেন সকলের ব্রাশ রাখার জায়গায় নিজের ব্রাশ না রাখেন। সেটা মেনে চলতে হবে। প্রতিদিন জিভ পরিষ্কার করতে হবে এবং মাউথ ওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করতে হবে।

কাদের ঝুঁকি বেশি
মূলত করোনা থেকে সেরে ওঠা রোগী যাঁদের ডায়াবেটিস বেশি। ইনিসুলিন নিতে হয় যাঁদের তাঁদের এই ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি। তবেবেই রোগ সংক্রামক নয়। তবে এর মারণ ক্ষমতা করোনার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি।












Click it and Unblock the Notifications