করোনা ভাইরাসের উপসর্গ থাকলেও অনেকেই বিপদ-মুক্ত হিসাবে ধরা দিচ্ছেন! সাবধান বাণী দিচ্ছেন চিকিৎসকরা
করোনার উপসর্গ থাকলেও অনেকেই ভাইরাস হানা-মুক্ত হিসাবে ধরা দিচ্ছেন! সাবধান বাণী দিচ্ছেন চিকিৎসকরা
এক অজানা রোগ, তার সঙ্গে সড়ছে প্রাণী জগতের সবচেয়ে শক্তিধর প্রজাতি.. মানুষ। কিন্তু করোনার প্রাদুর্ভাব গত ডিসেম্বর মাস থেকে ধরা পড়লেও, তার ওষুধ এখনও পর্যন্ত মানব সভ্যতা বের করতে পারেনি। এমন পরিস্থিতিতে করোনার হাত থেকে বাঁচতে উপায় সচেতনতা। এবার চিকিৎসকরা ভাইরাস মুক্তি নিয়ে কিছু সচেতনতার আভাস দিলেন।

কোন বার্তা চিকিৎসকদের?
চিকিৎসকদের দাবি, করোনা নিয়ে বহু বিভ্রান্তিমূলক পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। অনেকের শরীরেই উপসর্গ থাকলেও তিনি কোভিড নেগেটিভ হিসাবে ধরা দিচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে নেজেকে ও নিজের আশপাশকে সচেতন রাখা অত্যন্ত জরুরি।

উপসর্গ শুরুর ৩৭ দিন বাদেও করোনা পজিটিভ পাওয়া যাচ্ছে!
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভাইরাস শরীরে ঢোকবার ৭ দিনের মধ্যে উপসর্গ শুরু হতে দেখা গিয়েছে। এরপর উপসর্গ থেকে ১০ দিন পরে টেস্টিং হলে তা নেগেটিভ দেখাচ্ছে। তাতে মনে হচ্ছে সেই ব্যক্তি করোনা ভাইরাসের গ্রাস থেকে মুক্ত। এরপর তাঁরই আবার উপসর্গ শুরুর ৩৭ দিন বাদে করোনা ধরা পড়ছে। এমন বহু বিভ্রান্তিকর রিপোর্ট হাতে পাচ্ছেন চিকিৎসকরা। যা নিঃসন্দেহে চিন্তা বাড়িয়েছে অনেকের।

৮ দিনের মাথায় চলে যাচ্ছে উপসর্গ!
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন বহু ঘটনা দেখা গিয়েছে, যেখানে শরীরে উপসর্গ ধরা পড়ার ৮ দিনের মাথায় ব্যক্তি সুস্থতা অনুভব করছেন। তাতে টেস্টিং হলেও তা নেগেটিভ আসছে। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের দাবি, এতে বিপদ বাড়ার সম্ভবনাও থেকে যাচ্ছে। করোনার গতিবিধি নিয়ে কিছুতেই স্বস্তি মিলছে না। ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন ও সোশ্যাল ডিসটেন্সিং এর হাত থেকে মুক্তির একমাত্র উপায়।

উপসর্গ থাকলেও করোনা মুক্ত!
বিশেষজ্ঞরা বলছেন এমন অনেককেই দেখা গিয়েছে, যাঁদের দেহে করোনার সমস্ত উপসর্গ রয়েছে কিন্তু তাঁরা করোনা নেগেটিভ হিসাবে ধরা দিয়েছেন। এতে সংক্রমণ ছড়ানোর উদ্বেগ হয়তো থাকে না। তবে করোনার সুস্থতা নিয়ে বিভ্রান্তি রয়ে যাচ্ছে। ফলে সোশ্যাল ডিসটেন্সিং এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।












Click it and Unblock the Notifications