জেনে নিন আয়কর রিটার্নের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য একনজরে
শুরু হয়ে গিয়েছে নতুন অর্থবর্ষ। তার সঙ্গে শুরু হয়ে গিয়েছে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াও।
শুরু হয়ে গিয়েছে নতুন অর্থবর্ষ। তার সঙ্গে শুরু হয়ে গিয়েছে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াও। গত কয়েক বছরে অনেকটাই ইউজার ফ্রেন্ডলি হয়ে গিয়েছে আয়কর জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া। আগাম আয়কর জমা দেওয়ার ক্ষেত্রেও অনেক সুবিধা হয়ে গিয়েছে।

কীভাবে জমা দেবেন আয়কর রিটার্ন
আগাম আয়কর বা আইটি রিটার্ন জমা দেওয়া থাকবে বছরের শেষে গিয়ে আর ঝক্কি পোহাতে হয় না। এক্ষেত্রে কতগুিল বিষয়ে বিশেষ নজর রাখতে হয়। যার মধ্যে অন্যতম প্যান নম্বর। এখন আধারের সঙ্গে প্যান নম্বর লিঙ্ক করানোর কারণে যে কোনও একটি কার্ডের তথ্য দিলেই চলে। টিডিএস হিসেবে আপনার দেওয়া ট্যাক্সের বাড়তি অংশ ফেরত দেয় আয়কর দফতর। ই ফাইল জমার সময় কোনও ভুল হলে আইটিআর-ভি পাঠায় আয়কর দফতর। সেটি ভেরিফায়েড না হলে বুঝতে হবে কোথাও কেনও গণ্ডগোল হয়েছে। এক্ষেত্রে অনলাইনে ভুল সংশোধন করতে পারা যায়। না হলে সরাসরি আয়কর দফতরে ১২০ দিনের মধ্যে সংশোধনী পাঠিয়ে দিতে হবে।

অনলাইনে কর দান
কোনও একক করদাতা আয়কর রিটার্ন জমা করতে পারেন ই ফাইলিং ওয়েব সাইটের অনলাইন প্লাটফর্মের মাধ্যমে। এই সাইটেই পাওয়া যায় একটি এক্সেল শিট তাতে করদাতাকে তার আয়ের বিস্তারিত তথ্য জানাতে হয়। সেটার তথ্য বিশদে জানিয়ে ই ফাইলিং ওয়েব সাইটে আপলোড করতে হবে। রিটার্ন কী ভাবে হবে সেটা এসএমএস বা ইমেলে জানিয়ে দেওয়া হয় করদাতাকে।

কী কী সুবিধা আছে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার
আয়কর রিটার্ন জমা দিলে একাধিক সুবিধা পেতে পারেন করদাতারা। প্রথম সুবিধা হল ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে। আইটি রিটার্ন জমা করলে সহজেই গাড়ি-বাড়ি ঋণ পাওয়া যায়। কারণ যেকোনও ব্যাঙ্কই ঋণ দেওয়ার আগে আবেদনকারীর ফর্ম ১৬ দেখতে চান। আয়কর রিটার্ন দেওয়া থাকলে সেইসব কাগজপত্র সহজেই করদাতা পেয়ে যান। একে ঋণ না মঞ্জুর হওয়ার প্রবণতাও কম থাকে।

দ্বিতীয় সুবিধা
দ্বিতীয় সুবিধেটি হল লোকসান বা ক্ষতির হাত থেকে সহজেই বাঁচা যায়। কোনও কারণে সংস্থার লোকসান হলে সেই ক্ষতির প্রভাব আয়করের উপর গিয়ে পড়ে না। ফলে সংস্থা বা ব্যক্তির চার অনেকটাই কমে যায়। লোকসানের ভার পরের বছর পর্যন্ত বহন করতে হয় না।

তৃতীয় সুবিধেটি হল ভিসা পাওয়া
আয়কর রিটার্ন জমা থাকলে সহজেই ভিসা পাওয়া যায়। কারণ ভিসার আবেদনকারীকে সবার আগে আইটি রিটার্ন জমা দেওয়া আছে কিনা সেটা জানাতে হয়। এমনকী তার প্রমাণও দিতে হয়। বিশেষ করে আমেরিকা, ব্রিটেন, কানাডা, ইউরোপ, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া এবং মধ্য এশিয়ার একাধিক দেশের ভিসা পেতে গেলে আইটি রিটার্ন জমা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

জীবন বীমা
চতুর্থ সুবিধেটি হল জীবন বিমা। মোটা টাকার জীবন বিমা অনায়াসেই করতে পারেন করদাতা। মোটা টাকা বলতে ৫০ লাখ অথবা ১ কোিট টাকার জীবন বিমা যদি কেউ করতে চান তাঁর ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া অত্যন্ত লাভজনক। এক্ষেত্রে একাধিক জীবন বিমা কোম্পানি ক্রেতার আইটি রিটার্ন দেখতে চান।

সরকারি কাজের বরাত
পঞ্চমটি হল সরকারি কাজের বরাত সহজে পাওয়া যায়। যেকোনও সরকারি কাজের বরাত পেতে হলে সবার আগে ৫ বছরের আয়কর জমার পরিমান দেখাতে হয়। আর ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে তো আইটি রিটার্ন জমা দেওয়া সবার আগে জরুরি। কারণ যেকোনও রকম আর্থিক লেনদেনে সবার আগে আইটি রিটার্নের বিষয়টি দেখাতে হয়।












Click it and Unblock the Notifications