চিনা গুপ্তচরের ধূর্ত গোপন 'অপারেশন'! মনিপুরি মেয়েকে বিয়ে থেকে হাওলায় টাকা পাচার ঘিরে অভিযোগের পাহাড়
চিনা গুপ্তচরের ধূর্ত গোপন 'অপারেশন'! মনিপুরি মেয়েকে বিয়ে থেকে হাওলায় টাকা পাচার ঘিরে অভিযোগের পাহাড়
মাত্র ২৪ ঘণ্টা কেটেছে দিল্লির বুক থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে চিনা গুপ্তচর লুয়ো সাংকে । আর তার পর থেকেই আয়কর দফতরের কাছে একের পর এক হাড়হিম করা তথ্য আসতে শুরু করেছে চিনের এই গুপ্তচরকে ঘিরে। খাস দিল্লির বুক থেকে ধরা পড়া এই গুপ্তচর কীভাবে ধূর্ত পন্থায় দিল্লির বুকে কের পর এক অপরেশন চালিয়েছে, দেখে নেওয়া যাক।

৪০ টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট
তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন যে ১০০০ কোটি টাকা হাওলার মাধ্যমে লুয়োর মতো অবেকেই পাচার করেছে ভারতের বুকে বসে। বহু ভুয়ো সংস্থার আড়ালে এই চিনা গুপ্তচররা লুকিয়ে রয়েছে। ১০০০ কোটি টাকা বিবিন্ন ব্য়াঙ্ক থেকে ৪০ টি ভিন্ন নামে তোলা হয়েছে। এই ৪০ টি অ্যাকাউন্টই ভুয়ো। আর শেল কম্পানির নামে টাকা তুলে গিয়েছে একাধিক চিনা সংস্থা।

নাম উঠছে ব্যাঙ্ক কর্মীদের
আয়কর দফতর জানতে পেরেছে , লুয়োদের মতো বহু চিনা গুপ্ততরকে সাহায্য় করেছেন বহু ব্যাঙ্ক কর্মী ও চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্টরা। এবার সেই সমস্ত অভিযুক্তদের জন্য চলছে খোঁজ।

ব়্যাকেট কিং
চিনের হাওলা মারফৎ টাকা পাচারের অন্যতম ব়্যাকেট কিং গুপ্তচর লুয়ো। যে চার্লি পেং নামে ভারতে বসবাস করছিলন। মনিপুরের যে জাল পাসপোর্ট তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে, তা আসলে এক মনিপুরী মেয়েকে বিয়ের দৌলতে। জানা গিয়েছে ওই বিয়ের পরই লুয়ের জাল আধার ও পাসপোর্ট বানাতে সুবিধা হয়।

কোন কোন ব্যাঙ্ক স্ক্যানারে
দেখা গিয়েছে বন্ধন ব্যাঙ্ক ও আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কের মাধ্যমে ৪০ টি ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলে লুয়ো এই সমস্ত প্রক্রিয়া চালিয়ে গিয়েছে।

ধরা পড়েও আদালত ছাড় দেয়!
যাতে কোনও মতেই লুয়োকে পুলিশ ধরতে না পারে তার জন্য বারবার নিজের ঠিকানা বদল করেছে লুয়ো। পুলিশের চোখে ধুলে দিয়ে ২০১৮ সাল থেকে ভারতের বুকে বসে এই সমস্ত কীর্তি করে যাচ্ছে চিনের এই গুপ্তচর। ২০১৮ সালে একবার ধরা পড়েও আদালত ছেড়ে দিয়েছিল তাকে। এরপর থেকে আর লুয়োকে আটকানো যায়নি। ভারতের হাওলা কিংপিং হয়ে উঠেছিল সে।

চিনের গুপ্তচরের পাকিস্তানকে সাহায্য!
লুয়োর গ্রেফতারির পর ফের ভারতে চিনের দখলদারি নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠেছে। কারণ হাওলা পথের টাকাতে ববু অপরাধ পাকিস্তানে সংগঠিত হয়। ভারতকে কাবু করতে পাক জঙ্গিদের মদত নিচ্ছে বেজিং। এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। কাশ্মীরে নাশকতা চালানোর জন্য লালফৌজ পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠন অল বদরের সঙ্গে যোগাযোগ করছে বলে গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন। এই সব জঙ্গি অনুপ্রবেশে লুয়োর কোনও হাত রয়েছে কিনা, বা এই জঙ্গিদের কোনও ভাবে সে আর্থিক সাহায্য দেয় কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications