ভারতের আর্থিক উন্নতিতে মোদীর জলবায়ু সংক্রান্ত পদক্ষেপ কতটা কার্যকরী ভূমিকা নেবে! একনজরে তথ্য
ভারতের আর্থিক উন্নতিতে মোদীর জলবায়ু সংক্রান্ত পদক্ষেপ কতটা কার্যকরী ভূমিকা নেবে! একনজরে তথ্য
নভেম্বরের পয়লা তারিখে গ্লাসগো শহরে বসেছিল জলবায়ু সংক্রান্ত জাতিসংঘের এক কনফারেন্স। সিওপি ২৬ শীর্ষক এই কনফারেন্সে বিশ্বের তাবড় নেতাদের সঙ্গে বক্তব্য রাখতে দেখা যায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদীকে। এখানের মঞ্চে তিনি ৫ টি পয়েন্টে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে ভারতের লক্ষ্য়মাত্রার বিষয়ে বার্তা দেন। এই বক্তব্যের মধ্যেই নরেন্দ্র মোদী কার্যত ভারতের আর্থিক দিক থেকে উন্নতির রাস্তাটিও স্পষ্ট করে দিয়েছেন। এমনই দাবি বহু বিশেষজ্ঞের।

আর্থিক সম্ভাবনা বাড়বে
দেশে মাথা পিছু আয়ের কমতির ক্ষেত্রে যে ভারত ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশের থেকে এগিয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকার থেকে অনেকটাই এগিয়ে আর চিনের থেকে চার গুণে এগিয়ে তা বলা বাহুল্য। তবে এই বিষয়টি প্রেক্ষাপটে থাকলেও নরেন্দ্র মোদী জোর দিয়েছেন ভারতের আর্থিক সম্ভাবনাতে। তিনি নিজের ভাষণে জানান দিয়েছেন যে আর্থিক ক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য কী কী করণীয়। কোন কোন দিকে ভারতের অর্থনীতি উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে। মোদীর বার্তা সাফ জানান দিয়েছে যে প্রযুক্তিকে সঙ্গে রাখলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ভারত যেমন জলবায়ু পরিবর্তনে পদক্ষেপ নিতে পারবে, তেমনই দেশের আর্থিক হালও ফিরতে পারে।

প্রতিশ্রুতিতেই আর্থিক উন্নতির বার্তা
গ্লাসগোতে নিজের ভাষণে মোদী ৫ টি লক্ষ্যমাত্রা পূরণের বার্তা দিয়েছেন। এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণের ক্ষেত্রে ২০৩০ সাল ও ২০৭০ সাল পর্যন্ত ভারতের সামনে লড়াইয়ের ডেডলাইন বেঁধে দেন মোদী। বিদেশ সচিব হর্ষ শ্রিংলার কথায়, বিশ্বের বাকি নেতাদের ভাষণে সিওপি ২৬ এ একাধিক 'বক্তব্য' উঠে আসে তবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী কাজ করে দেখিয়ে 'পদক্ষেপ' এর কথা বলেন। এখানেই ভারত সিওপি ২৬-এ নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে আর্থিক ক্ষেত্রে উন্নতির বার্তা দিয়ে দিয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে ভারত
উল্লেখ্য়, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানিয়েছেন, জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে এক টুইটে জানিয়েছেন যে, আগেও ভারত জলবায়ু ইস্যুতে প্যারিসে করে আসা প্রতিশ্রুতি পালন করছে। আর এদিন গ্লাসগোতে নতুন লক্ষ্যমাত্রা সেট করেছে দেশ। এর থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন চাহিদার নিরিখে ভারতের কার্যকরী পদক্ষেপের গতিবিধি আঁচ করা যেতে পারে বলে টুইটে লেখেন এস জয়শঙ্কর। তিনি লেখেন যেখানে প্রয়োজন সেখানে ভারত পদক্ষেপ নেবে। জলবায়ু ইস্যুতেও এমন ঘটনা ঘটবে বলে দাবি করেন এস জয়শঙ্কর।

বিশ্বের নিরিখে ভারতের পদক্ষেপ
উল্লেখ্য উগ্রপন্থার পরই বিশ্ব জুড়ে জলবায়ু পরিবর্তন সমস্ত কয়টি দেশের কাছে বড় ইস্যু হতে চলেছে। আফগানিস্তান সহ একাধিক দেশে উগ্রপন্থার বিভিন্ন দিক ঘিরে রীতিমতো সন্ত্রস্ত বিশ্ব। তবে অজানা শত্রু হিসাবে জলবায়ুর পরিবর্তন ইস্যু বিশ্বের তাবড় দেশকে ভাবতে বাধ্য করছে। সেই জায়গা থেকে সিওপি ২৬ একটি তাৎপর্যবাহী দিক। আর সেই মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী জানান দিয়েছেন ২০৭০ সালের মধ্যে নেট জিরো নির্গমনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগিয়ে যাবে ভারত।












Click it and Unblock the Notifications