যেভাবেই হোক জম্মু-কাশ্মীরকে অশান্ত করতে হবে! ৩৩ পাতার রিপোর্টে ফাঁস পাকিস্তানের ছক
ভারতকে রক্তাত্ব করতে গভীর ষড়যন্ত্রের ছক কষেছে পাকিস্তান! ভারতীয় সেনা পাকিস্তানের ছক বানচাল করতে তৎপর হয়েছে। ইতিমধ্যে তাদের হাতে ৩৩ পাতার চাঞ্চল্যকর একটি রিপোর্ট এসেছে বলেই খবর। পাকসেনা'র সাহায্যে তো বটেই এবং আরও অন্যান্য
ভারতকে রক্তাত্ব করতে গভীর ষড়যন্ত্রের ছক কষেছে পাকিস্তান! ভারতীয় সেনা পাকিস্তানের ছক বানচাল করতে তৎপর হয়েছে। ইতিমধ্যে তাদের হাতে ৩৩ পাতার চাঞ্চল্যকর একটি রিপোর্ট এসেছে বলেই খবর। পাকসেনা'র সাহায্যে তো বটেই এবং আরও অন্যান্য অনেক পথে চলছে অনুপ্রবেশ।

কীভাবে ভারতের মাটিকে ব্যবহার করে সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করতে সাহায্য করছে পাকিস্তান সেনা সে বিষয়েও চঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে বলেই খবর।
শুধু তাই নয়, পাকিস্তানে কীভাবে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার করা হচ্ছে সেই রিপোর্টও উঠে এসেছে ৩৩ পাতার ওই রিপোর্টে। শুধু তাই নয়, কাশ্মীরের কিছু ঘটনাও এই ফাইলে উল্লেখ করা হয়েছে বলে সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের খবরে দাবি করা হয়েছে। কীভাবে পাকিস্তানে শ্রমিক, শিক্ষক, পরিযায়ী শ্রমিকদের হত্যা করা হয়েছে সে বিষয়েও তথ্য রয়েছে।
পাশাপশি উল্লেখ রয়েছে কীভাবে পাকিস্তানে রাজনৈতিক কর্মীদের হত্যা করে যুব সম্প্রদায়ের মগজধোলাই করা হচ্ছে। এবং সন্ত্রাসের পথে তাঁদের নিয়ে আসা হচ্ছে সমস্ত কিছুই বিস্তারিত ভাবে রিপোর্ট নাকি বলা হয়েছে বলেই খবর।
ওই ফাইলের প্রথম অংশে উল্লেখ রয়েছে ২০২০ থেকে ২১ সালের মধ্যে অন্তত ১৬ বার পাক জঙ্গিরা ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালিয়েছিল। ওই জঙ্গিরা যতবার সীমান্ত পার করে ভারতে আসার চেষ্টা জঙ্গিরা চালিয়েছে ততবারই ধরা পড়ে গিয়েছে ভারতীয় সেনার হাতে। এমনকি অস্ত্র এবং অন্যান্য নথিও কেড়ে নিয়েছে তাঁরা। কতজন জঙ্গির মৃত্যু হিয়েছে সেই তথ্যও ৩৩ পাতার রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
রিপোর্টে বলা হয়েছে আজও সেই পুরানো পদ্ধতিতেই জঙ্গি দলে নিয়োগ করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। তাঁদের উদ্দেশ্যে হল বেছে বেছে কাশ্মীরের অসহায় যুবকদের চিহ্নিত করা। বিশেষ করে যাদের অনেক টাকার দরকার রয়েছে। এরপর ওই সমস্ত যুবকদের জিহাদের পথে নিয়ে যাওয়াটাও অন্যতম টার্গেট বলে দাবি করা হয়েছে। ওই সমস্ত যুবকদের মগজে ভরে দেওয়া হয় চরমপন্থী ধ্যান-ধারনা। জঙ্গিরা কীভাবে পাকিস্তানে তাদের হ্যান্ডলারদের সঙ্গে কি কথাপকথন করে থাকে সে বিষয়ে ইন্ডিয়া টুডে'র প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
কাশ্মীরের রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীরা যাতে প্রশাসনিক কিংবা রাজনৈতিক কাজ কর্ম না করতে পারেন সেজন্যে বিভিন্ন ভাবে টার্গেট করা হয় বলেও দাবি করা হয়েছে। গত তিন বছরে এমন ২৭ জন নেতা-নেত্রীর মৃত্যু হয়েছে বলে উল্লেখ রিপোর্টে। সাম্প্রতিক কালে রাজনৈতিক হত্যার কথা বেড়ে গিয়েছে বলেও জানাচ্ছে ভারতীয় সেনা।
রিপোর্টের শেষ ভাগে উল্লেখ করা হয়েছে, যে দেশে ত্রিশ বছরের বেশি সেনা শাসন চলেছে, সেনার হাতে যে দেশের আসল নিয়ন্ত্রণ, যারা বিশ্বের কু-নজরে রয়েছে তাঁদের একমাত্র উদ্দেশ্যেই হল যেভাবেই হোক জম্মু-কাশ্মীরকে অশান্ত করে তোলা।












Click it and Unblock the Notifications