পঁচিশ বছর পর ওড়িশায় ফের সরাসরি বন্ধুত্ব BJP-BJD-র! কোন দল কতটা লাভবান হতে পারে
বিজেপি প্রথম দফার প্রার্থী তালিকায় যেসব রাজ্যের নাম নেই তার মধ্যে রয়েছে ওড়িশাও। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে ওড়িশায় বিজেপি-বিজেপির মধ্যে ফের জোট দেখা দিতে পারে। প্রসঙ্গত প্রায় ২৫ বছর আগে দুই দল ওড়িশায় জোট তৈরি করেছিল। তারপর তাদের জোট ভেঙে যায়। তবে এবারের সম্ভাব্য জোটকে তীব্র কটাক্ষ করেছে কংগ্রেস।
লোকসভায় ওড়িশায় আসন রয়েছে ২১ টি। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই দুই দলের মধ্যে আসন ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এখন শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বাকি রয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই জোট এনডিএকে ৪০০ আসনের দিকে এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ওড়িশায় বিজেপি-বিজেডির জোট হলে সব থেকে বেশি লাভবান হবে বিজেপি। একটা সময় পঞ্জাবের শিরোমণি অকালি দল বেরিয়ে গিয়েছিল এনডিএ থেকে। পরে নীতীশ কুমারের জেডিইউ বেরিয়ে গিয়েও আবার ফিরে এসেছে। এখন যদি বিজেডি এনডিএ-তে যোগ দেয়, তাহলে বিজেপি আঞ্চলিক দল পাবে। ফলে ওড়িশায় এনডিএ-র সঙ্গে সরাসরি কংগ্রেসের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।
প্রসঙ্গত ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে ২১ টি আসনের মধ্যে বিজেডি একাই পেয়েছিল ১২ টি আসন। বিজেপি পেয়েছিল আটটি এবং কংগ্রেস একটি আসন পেয়েছিল। গতবার সবাই আলাদা আলাদা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। এবার সেই জায়গায় জোট হলে ওড়িশায় বিজেপির ভোটের হার বৃদ্ধি পাবে বলেই মনে করছে গেরুয়া শিবির।
১৯৯৮ সালে দুই দল যখন একসঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল, তখন বিজেডি পেয়েছিল ২৭.৫ শতাংশ এবং বিজেপি পেয়েছিল ২১.২ শতাংশ ভোট। আর ২০১৯-এ আলাদা করে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজেপি পায় ৩৮.৪ শতাংশ এবং বিজেপি পায় ৪২.৮ শতাংশ ভোট।
জোট তৈরি হলে শুধু বিজেপিই নয়, বিজেডিও লাভবান হবে বলেও মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। রাজ্যসভায় বিজেডি তাদের সাংসদ সংখ্যা একই রাখতে (বর্তমানে নয় সাংসদ) পারবে কিংবা বৃদ্ধি করতে পারবে। সূত্রের খবর বিজেপি আশা করছে জোট হলে তারা ওড়িশার আরও বেশি আসন জয় করতে পারে এন্যদিকে বিজেডির আশা তারা বিধানসভাতেও নিজেদের ক্ষমতা বজায় রাখতে পারবে।
কংগ্রেসের তরফে ওড়িশায় সম্ভাব্য জোটকে নিশানা করে বলা হয়েছে, তারা বলে আসছে বিজেপি আর বিজেডি একই মুদ্রার এদিক-ওদিক। বিজেডি সংসদে সবসময় বিজেপিকে সমর্থন করেছে। এবার তা ফের সামনে আসতে চলেছে।












Click it and Unblock the Notifications