হিমাচল প্রদেশে আর কতদিন কংগ্রেস সরকার? বিধানসভার অঙ্কটা ঠিক কোথায় দাঁড়িয়ে
হিমাচল প্রদেশে কংগ্রেসের প্রয়োজনীয় বিধায়ক সংখ্যা থাকার পরেও রাজ্যসভার নির্বাচনে হেরে গিয়েছেন দলের প্রার্থী অভিষেক মনু সিংভি। শুধু হারই নয়, এই নির্বাচনের পরে সেখানকার কংগ্রেস সরকারও পতনের মুখে। একদিকে কংগ্রেস যেমন শেষ মুহূর্তেও সরকার বাঁচানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে বিজেপিও যে কোনও সময় অপারেশন লোটাসের মাধ্যমে সেখানকার সরকারকে উৎখাত করতে পারে বলে দাবি করা হচ্ছে।
রাজ্যসভা ভোটের একদিন আগে অর্থাৎ ২৬ ফেব্রুয়ারি কংগ্রেসের তরফে সব বিধায়কের উদ্দেশে হুইপ জারি করা হয়। সেখানে তাদের পোলিং এজেন্টকে বিধায়করা কাকে ভোট দিলেন, তা দেখাতে বলা হয়েছিল। তারপরেও ২৪ ঘন্টার মধ্যে ছয় বিধায়ক বিজেপি প্রার্থীর পক্ষে ভোট দেন। যে কারণে উভয় প্রার্থী ৩৪ টি করে ভোট পান। এরপর টসের মাধ্যমে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়। সেখানে জয়ী হন বিজেপি প্রার্থী হর্ষ মহাজন।

হিমাচল প্রদেশে কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ সংকট এতটাই গভীরে যে, সেখানকার রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি প্রতিভা সিং নিজে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে যাওয়া বিধায়কদের সমর্থন করেছেন। আর তাঁর ছেলে তথা হিমাচলে সুখু মন্ত্রিসভার মন্ত্রী বিক্রমাদিত্য সিং নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরেই পদত্যাগের কথা জানিয়েছেন।
এখানে রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি ও মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে দুইভাগ হয়ে গিয়েছে রাজ্য কংগ্রেস। কংগ্রেসের এই দুর্বলতার কথা জেনেই বিজেপি হর্ষ মহাজনকে প্রার্থী করে এবং তিনি জয়ী হন। হর্ষ মহাজন কংগ্রেস নেতা বীরভদ্র সিংয়ের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। সেই অনুযায়ী তাঁর সঙ্গে প্রতিভা সিংয়ের সম্পর্ক ভাল বলেই ধরে নিচ্ছে সেখানকার রাজনৈতিক মহল।
এবার দেখে নেওয়ার যাক বিধানসভার রাজনৈতিক অঙ্ক। হিমাচল প্রদেশ বিধানসভায় ৬৮ টি আসন রয়েছে। সেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ৩৫ টি আসনের। সেখানে সরকারিভাবে কংগ্রেসের বিধায়ক ৪০ জন এবং বিজেপির ২৫ জন। এর পাশাপাশি হিমাচলের কংগ্রেস সরকারকে সমর্থন দিচ্ছে তিনজন নির্দল বিধায়ক। সেই হিসেবে কংগ্রেসের পক্ষে সদস্য সংখ্যা ৪৩।
এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেসের ছয় বিধায়ক বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন। তাহলে কংগ্রেসের নিজের বিধায়ক সংখ্যা ৩৪ -এ নেমে আসে। আর যদি বিক্রমাদিত্য সিংকে এর সঙ্গে ধরা হয়, তাহলে তা আরও এক কমে যায় অর্থাৎ ৩৩-এ নেমে আসে। যা সংখ্যাগরিষ্ঠের তুলনায় দুই কম।
সেই অবস্থায় বিজেপির তরফে হুঁশিয়ারি দেওয়া হলেও, পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ কিছুটা হলেও কংগ্রেসের হাতে রয়েছে। কারণ যে বিধায়করা বিদ্রোহ ঘোষণা করেছে, তাঁদের দলত্যাগ বিরোধী আইনে অযোগ্য ঘোষণা করা হলে, তাঁরা আর বিজেপির পক্ষে ভোট দিতে পারবেন না। বিদ্রোহীদের অনুপস্থিতিতে বিধানসভার সদস্য সংখ্যা ৬১-তে নেমে আসবে। সেক্ষেত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠার জন্য দরকার হবে ৩১ জন বিধায়কের সমর্থন। যা কংগ্রেসের রয়েছে।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত












Click it and Unblock the Notifications