হাইড্রোক্সিক্লোরোক্যুইনের বাড়তি চাহিদা মেটাতে কী ভাবে প্রস্তুত হচ্ছে ভারত?

করোনার প্রকোপে জর্জরিত গোটা বিশ্ব। এই পরিস্থিতিতে করোনা প্রকোপ থেকে বাঁচার কোনও ওষুধ বা প্রতিষেধকই পরীক্ষিত নয়, তাই বাজারেও আসেনি সেগুলি। বেশ কয়েকটি দেশ করোনার ওষুধ আবিষ্কার করার দাবি জানালেও তা এখনও পরীক্ষিত নয়।

১ লক্ষের বেশি মানুষ মারা গিয়েছে করোনার জেরে

১ লক্ষের বেশি মানুষ মারা গিয়েছে করোনার জেরে

বিশ্বজুড়ে ইতিমধ্যেই ১ লক্ষের বেশি মানুষ মারা গিয়েছে করোনার জেরে। ভারতও রেহাই পায়নি করোনার গ্রাস থেকে। করোনা প্রকোপ থেকে বাঁচার কোনও ওষুধ বা প্রতিষেধকই বাজারে আসেনি এখনও। বেশ কয়েকটি দেশ করোনার ওষুধ আবিষ্কার করার দাবি জানালেও তা এখনও পরীক্ষিত নয়। তাই বর্তমানে সবারই ভরসা হাইড্রোক্সিক্লোরোক্যুইন।

করোনা চিকিৎসার ক্ষেত্রে অনেকটা কার্যকরী হাইড্রোক্সিক্লোরোক্যুইন

করোনা চিকিৎসার ক্ষেত্রে অনেকটা কার্যকরী হাইড্রোক্সিক্লোরোক্যুইন

এদিকে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে অনেকটা কার্যকরী হচ্ছে ম্যালেরিয়ার প্রতিষেধক ড্রাগ হাইড্রোক্সিক্লোরোক্যুইন। তাই ভারতের পাশাপাশি গোটা বিশ্বেই এর চাহিদা বেড়ে গিয়েছে ওই ওষুধ। করোনা থেকে মুক্তি পেতে ওষুধটি হাতে পেতে। এরই মধ্যে ভারত আন্তর্জাতিক বিশ্বের সংহতি ও সহযোগিতা বজায় রাখতে ভারত ওষুধ রফতানির উপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে।

'হাইড্রোক্সিক্লোরোক্যুইন'-এর বৃহত্তম উৎপাদক দেশ ভারত

'হাইড্রোক্সিক্লোরোক্যুইন'-এর বৃহত্তম উৎপাদক দেশ ভারত

প্রসঙ্গত, গোটা বিশ্বের মধ্যে 'হাইড্রোক্সিক্লোরোক্যুইন' ড্রাগটির বৃহত্তম উৎপাদক দেশ হল ভারত। ইতিমধ্যে আমেরিকাতেও ওই ড্রাগ সরবরাহ করা হয়েছে। তাছাড়া ইজরায়েল, ব্রাজিল সহ মোট ৩৪টি দেশে আপাতত এই ওষুধ পাঠিয়েছে ভারত। এদিকে ভারতেও ক্রমেই বাড়ছে করোনা প্রকোপ। যার ফলে দেশেও এই ওষুধের প্রয়োজন বেড়ে গিয়েছে কয়েক গুণ।

উৎপাদন দ্বিগুণ করার পথে ভারত

উৎপাদন দ্বিগুণ করার পথে ভারত

এই অবস্থায় ভারতের দুটি সংস্থা, জাইডাস কাডিলা ও ইপকা ল্যাবস তাদের ওষুধ বানানোর গতি বৃদ্ধি করেছে। সরকারের চাহিদা মেটাতে প্রতি মাসে প্রায় ২০ মেট্রিক টন হাইজ্রক্সিক্লোরোক্যুইন তৈরি করা শুরু করেছে সংস্থাগুলি। আগে যেটা মাসে মাত্র তিন টন ছিল। পরবর্তী সময়ে এই ওষুধ তৈরির গতি আরও বাড়ানো হবে বলেও জানানো হয়েছে সংস্থাগুলির পক্ষ থেকে। তাদের লক্ষ্য, মাসে ৪০ থেকে ৪০ টন ওষুধ তৈরি। এই সংসস্থাগুলির সব থেকে সুবিধারজনক বিষয় হল, এদের কাছে এই ওষুধ তৈরির পর্যাপ্ত কাচা মাল মজুত রয়েছে।

এফডিএ-র নিষেধাজ্ঞা থেকে শেয়ার বাজার

এফডিএ-র নিষেধাজ্ঞা থেকে শেয়ার বাজার

এদিকে ২০১৫ সাল থেকেই আমেরিকার এফডিএ-র নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল ইপকার উপর। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ভারতীয় শেয়ার মার্কেটে ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলির দর ক্রমেই বেড়ে চলেছে। যা শেয়ার বাজারকে কিছুটা স্থিতিশীল করতে সাহায্য করেছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+