Bengaluru Blast: চার রাজ্যের পুলিশের সহায়তা!কীভাবে গ্রেফতার বেঙ্গালুরু বিস্ফোরণের মাস্টারমাইন্ড
Bengaluru Blast: বেঙ্গালুরু বিস্ফোরণের সঙ্গে বাংলার যোগ। একমাস ধরে বাংলার বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ানোর পরে দিঘার হোটেল থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে বেঙ্গালুরু বিস্ফোরণেরমূল পরিকল্পনাকারী-সহ দুই অভিযুক্তকে। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ বারো এপ্রিল তাদেরকে গ্রেফতার করে ট্রানজিট রিমান্ডে তাদের অধীনে নিয়েছে।
বিস্ফোরণের পরেই আব্দুল মতিন ত্বহা, মুসাভির হোসেন সাহিব কলকাতায় আত্মগোপন করে বলে অভিযোগ। সেখানে দাঁড়িয়ে রামেশ্বরম কাফে বিস্ফোরণে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা একটা সহজ ছিল না। গত একমাস ধরেএনআইএ এদেরকে ধরতে চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছে। অবশেষে কলকাতায় অভিযুক্তদের উপস্থিতির খবর পাওয়ার পরে তাদের গ্রেফতারের কাজটা কিছুটা সহজ হয়ে যায়।

এনআইএ সূত্রে দাবি করা হয়েছে, মুসাভির কাফেতে বিস্ফোরক রেখেছিল। আব্দুল মতিন ত্বহা বিস্ফোরণের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের দায়িত্বে ছিল। সূত্রের আরও দাবি, বিস্ফোরণে সময় এলাকায় আব্দুল মতিন ত্বহা, মুসাভির হোসেন সাহিব যে উপস্থিত ছিল, তার চার প্রত্যক্ষদর্শী পাওয়া গিয়েছে। তাঁরা এই দুজনকে সনাক্ত করেছেন।
বিস্ফোরণে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ, কয়েকটি রাজ্যের পুলিশ অভিযুক্তদের সন্ধানে তল্লাশি শুরু করে। যে রাজ্যগুলি বেঙ্গালুরু বিস্ফোরণে অভিযুক্তগের গ্রেফতারে সহায়তা করেছে তাদের মধ্যে কর্নাটক ও পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও রয়েছে কেরল ও তেলেঙ্গানা।
এনআইএ সূত্রে খবর, তদন্তের কারণে তারা তিনশোর বেশি সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেছে। তারপরেই দুজনের সম্পর্কে অভিযোগ করে বলা হয়েছে, এরা ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে জড়িত। এরা দুজনেই ২০২০ সাল থেকে বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থা নজরদারিতে ছিল। এনআইএ জানিয়েছে, আব্দুল মতিন ত্বহা আইএসআইএস-আল হিন্দের বেঙ্গালুরু মডিউলের সঙ্গে জড়িত ছিল।
এনআইএ জানিয়েছে, কলকাতা-সহ বাংলার বিভিন্ন জায়গায় আশ্রয় নেওয়ার সময়ে আব্দুল মতিন ত্বহা, মুসাভির হোসেন সাহিব নিজেদের পরিচয় গোপন করে। দুজনই বিস্ফোরণে পরে একাধিক রাজ্য ঘুরে শেষে কলকাতায় আসে। সব শেষে দিঘা। সেখানে এই দুজন যে ঘর ভাড়া নিয়েছিল, তার ঠিক বিপরীতের ঘরে বসেই নজরদারি চালান এনআইএ-র গোয়েন্দারা। পরে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সহায়তায় গ্রেফতার।
দিঘার যে হোটেলে এই দুই অভিযুক্ত আশ্রয় নিয়েছিল সেই হোটেলের এক কর্মী জানিয়েছেন, গ্রেফতারের সময় দুজনই মদ্যপ ছিল। এছাড়াও এদের গ্রেফতার করতে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন পুলিশ কর্মী নিজেদের পোশাকে ছাড়াও সাধারণের পোশাকে হাজির ছিলেন।
প্রসঙ্গত গত মাসে এনআইএ এই দুই অভিযুক্তের গ্রেফতারে তথ্য সহায়তা করে সাহায্য করলে ১০ লক্ষ টাকা পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল। অভিযুক্তদের ছবি প্রকাশ করে এনআইএ জানিয়েছিল কারও কাছে কোনও তথ্য থাকলেতারা এনআইএকে জানাতে পারে। এনআইএ জানিয়েছে, দুই অভিযুক্ত পশ্চিমবঙ্গে ছিল গত প্রায় তিন সপ্তাহ।












Click it and Unblock the Notifications