Arvind Kejriwal: তিহাড় জেলে প্রথম দিন, কেমন কাটল মুখ্যমন্ত্রীর, সকাল থেকে কী করলেন কেজরিওয়াল?
আবগারি দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর এখন জেল হেফাজতে রয়েছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর ঠাঁই হয়েছে এখন তিহাড় জেলে। অর্থাৎ গরুপাচারকারী মামলায় ধৃত অনুব্রত মণ্ডলদের সঙ্গেই জেলে রয়েছেন তিনি।
তিহাড় জেলে গতকাল বিকেলেই নিয়ে যাওয়া হয়েছে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে। জানা গিয়েছে তিহাড় জেলের ২ নম্বর সেলে রয়েছেন তিনি। তার আগে গোটা সেল স্যানিটাইজ করিয়েছেন জেল সুপার। সেই সঙ্গে নিরাপত্তা নিয়েও জরুরি বৈঠক করেছেন জেল কর্তৃপক্ষ।

তিহা়ড় জেলে প্রথম রাত কাটালেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। যাতে মুখ্যমন্ত্রী ঘুমোতে পারেন সেকারনে লোহার গরাদ ঢেকে দেওয়া হয়েছিল মশার নেট দিয়ে। যদিও জেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন কোনও বিশেষ ব্যবস্থা নয়, জেলের সব বন্দিরাই মশারি পেয়ে থাকেন। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের জন্য আলাদা করে তাঁরা কিছু করেননি।
সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথমেই মেডিটেশন করেছেন কেজরিওয়াল। তার পর নিয়ম মাফিক যোগাভ্যাস। সকাল ৬টা ৪০ মিনিট নাগাদ তাঁকে ব্রেকফাস্ট দেওয়া হয়। ব্রেকফাস্টে দেওয়া হয়েছিল পাউরুটি এবং চা। সেটি খেয়েছেন তিনি। তারপরে দুপুর বারোটায় তাঁকে মধ্যাহ্ন ভোজ দেওয়া হয়। তারপরে বিকেল ৩টের মধ্যে সব বন্দিদের নিজের নিজের সেলে ফিরতে হয়। তারপরে বিকেল সাড়ে পাঁচটায় সব বন্দিদের রাতের খাবার পরিবেশন করা হয়।
এবং সন্ধে সাতটার মধ্যে যে যার নিজের সেলে চলে আসেন। তবে তিনি যদি যান অন্যান্য কয়েদিদের মতো টেলিভিশন দেখতে পারেন। ভোর ৫টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত সব বন্দিদের জন্যই জেলে টেলিভিশন দেখার বন্দোবস্ত রয়েছে। কেজরিওয়াল ছাড়াও আবগারি দুর্নীতি মামলায় আম আদমি পার্টির আরও তিন নেতা দেলে রয়েছেন। সত্যেন্দ্র জৈন, মণীশ সিং এবং মণীশ সিসোদিয়া।
সঞ্জয় সিংকে ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাঁকেও এই ২ নম্বর সেলে রাখা হয়েছিল। তারপরে ৫ নম্বর সেলে স্থানান্তরিত করা হয়। এর আগে ২০১১ সালে লোকপাল আন্দোলনের সময় অন্না হাজারের সঙ্গে তিহার জেলে ছিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। সেবার সাত দিন তিহাড় জেলে কাটিয়েছিলেন কেজরিওয়াল।
জলপাইগুড়ি এখন রাজ












Click it and Unblock the Notifications