হোমিওপ্যাথি রক্ষা করবে আপনাকে বায়ু দূষণ সহ অন্যান্য রোগ থেকে
হোমিওপ্যাথি রক্ষা করবে আপনাকে বায়ু দূষণ সহ অন্যান্য রোগ থেকে
বেশ কিছু বছর ধরে বায়ু দূষণ খবরের শিরোনামে রয়েছে। বিশেষ করে শীতকাল আসলেই এই দূষণ যেন হুড়মুড়িয়ে বেড়ে যায়। দিওয়ালির আগে ও পরেও দেখা যায় এই বায়ু দূষণ। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে এখন গোটা বছর জুড়েই চলে দূষণের মরশুম। বায়ু দূষণ আমাদের স্বাস্থ্য ও নতুন প্রজন্মের স্বাস্থ্যের ওপর বাজেভাবে প্রভাব ফেলছে। যেখান থেকে বেড়িয়ে আসার কোনও উপায় নেই। তবে বায়ু দূষণ হোক বা অন্য কোনও রোগ, হোমিওপ্যাথি স্বাস্থ্য সমস্যা মোকাবিলায় তার কার্যকারিতা প্রমাণ করেছে।

বায়ু দূষণের ফলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ–প্রতঙ্গে তার প্রভাব দেখা যায়। শুধু যে শ্বাসযন্ত্রেই তার প্রভাব পড়ে এমন নয়, হৃদযন্ত্রেও এই বায়ু দূষণ প্রচণ্ড বাজেভাবে প্রভাব ফেলে। চোখ এবং ত্বকেও দেখা যায় বিভিন্ন ধরনের সমস্যা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংগঠন (হু) তাদের সমীক্ষায় জানিয়েছে যে বেশিরভাগ মৃত্যুর কারণই বায়ু দূষণের ফলে হয়। গত কয়েক বছরে দিল্লির বায়ু দূষণ হু হু করে বেড়ে গিয়েছে। যা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে নিম্নস্থানে রয়েছে। তবে হোমিওপ্যাথি সেবনে এই বায়ু দূষণের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।
বায়ু দূষণে কিভাবে কাজ করে হোমিওপ্যাথি
হাজারেরও বেশি এমন রোগী রয়েছেন যাঁরা অন্য ওষুধে কোনও ধরনের ফল না পেয়ে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার দ্বারস্থ হয়েছেন এবং আরোগ্য লাভও করেছেন। হোমিওপ্যাথি হল এমন এক চিকিৎসা যেখানে কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় চোখে জ্বালা করা কনজাংটিভাইটিস, যা একধরনের সংক্রমণ। তা হোমিওপ্যাথির আর্জেন্টাম নাইট্রিকামে উপশম হয়। সেরকমই সর্দি হোক বা কাশি সবেতেই হোমিওপ্যাথির জুড়ি মেলা ভার। অন্য ওষুধ যা করতে পারে না, তা হোমিওপ্যাথিতে সহজেই সেরে যায়। শ্বাসজনিত সমস্যা যেমন ব্রনিকাল অ্যাসথমা এবং বুকে কফ জমে যাওয়ার মত রোগ, যা উচ্চস্তরের বায়ু দূষণের জন্য হয়, তা হেপার সালফার এবং আপিকেয়ার ওষুধে একেবারে নিরাময় হয়ে যাবে। বায়ু দূষণের হাত থেকে মুক্তি পেতে কোনও ম্যাজিক ট্যাবলেট বা ঢাল নেই, যা আপনারে সুরক্ষা দেবে। তবে নিয়মিত হোমিওপ্যাথি সেবন করলে বায়ু দূষণের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে এবং আপনি অনেক রোগ থেকে দূরে থাকবেন।
দূষণ থেকে বাঁচার কিছু প্রয়োজনীয় টিপস
বায়ু দূষণের হাত থেকে বাঁচতে কিছু ছোট ছোট জিনিস মেনে চলতে হবে। তবেই বায়ু দূষণ আপনাকে কাবু করতে পারবে না। প্রথমত, বায়ুর গুণগত মান খুব উচ্চ পর্যায়ের হলে চেষ্টা করুন বাড়ির ভেতর থাকতে। দ্বিতীয়ত, আমাদেরও নিশ্চিত করা উচিত যে আমাদের নিজস্ব পদক্ষেপগুলি কোনও ভাবেই দূষণ সম্পর্কিত আইন, বিধি এবং নির্দেশাবলীকে যেন না ভাঙে এবং পরিস্থিতি যেন আর খারাপ না হয়। ছোট ছোট পদক্ষেপই বায়ু দূষণকে রোধ করতে পারবে। যেমন শুকনো–মৃত পাতা যেখানে সেখানে না পোড়ানো এবং কোথাও যেতে হলে বাস বা গণ পরিবহন ব্যবহার করা। এ ধরনের বেশ কিছু জিনিস মাথায় রাখলেই বায়ু দূষণ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।












Click it and Unblock the Notifications