এখনও পর্যন্ত কাশ্মীরে ২ জন সম্পত্তি কিনেছে, সংসদে জানাল অমিত শাহের মন্ত্রক
এখনও পর্যন্ত কাশ্মীরে ২ জন সম্পত্তি কিনেছে, সংসদে জানাল অমিত শাহের মন্ত্রক
কাশ্মীর নিয়ে বেশ অস্বস্তিতে পড়েছে মোদী সরকার। ৩৭০ ধারা বিলোপ করার সময় মোদী সরকার দাবি করেছিলেন কাশ্মীরে এবার উন্নয়ন হবে। দেশের যেকোনও প্রান্তের মানুষ কাশ্মীরে জমি, বাড়ি, সম্পত্তি কিনতে পারবেন। কিন্তু গত ২ বছরে কাশ্মীরে মাত্র ২ জন সম্পত্তি কিনেছেন। সংসদে এমনই তথ্য দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। অর্থাৎ অমিত শাহের দফতর।

কাশ্মীরে সম্পত্তি কেনা
৩৭০ ধারা যতদিন জারি ছিল কাশ্মীরে ততদিন কেউ সম্পত্তি ক্রয় করতে পারেনি। ২০১৯ সালে প্রথম কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিল করে মোদী সরকার। তারপরেই যেকেউ সেখানে সম্পত্তি কেনার ছাড় পায়। অর্থাৎ দেশের অন্যান্য জায়গায় যে নিয়ম লাগু হয়। কাশ্মীরের ক্ষেত্রেও সেই নিয়ম লাগু হয়েছে। অর্থাৎ এখন দেশের যে কোনও প্রান্তের বাসিন্দা কাশ্মীরে জমি, জায়গা, সম্পত্তি কিনতে পারবেন। এতে কাশ্মীরের উন্নয়ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেছিল মোদী সরকার। কাশ্মীরের বাসিন্দাদের উন্নয়ন হবে বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কাশ্মীরের পর্যটন শিল্পেরও উন্নতি হবে বলে দাবি করেছিলেন তাঁরা।।

কতজন কিনল সম্পত্তি
৩৭০ ধারা বাতিল হওয়ার পর আড়াই বছর পার হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কাশ্মীরে মাত্র ২ জন জমি কিনেছে। সংসদে লিখিত বিবৃতি দিয়ে জানাল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই। তিনি জানিয়েছেন কাশ্মীরে জমি কেনা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কাউকে কোনও সমস্যায় পড়তে হয়নি। সরকার সবরকম সহযোিগতা করছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে আশা প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং অমিত শাহ প্রকাশ করেছিলেন কাশ্মীর নিয়ে আড়াইবছর পর দেখা যাচ্ছে তার সিকিভাগওপূরণ হয়নি কাশ্মীরা। অর্থাৎ আগের মতোই অবস্থানে রয়ে গিয়েছেন কাশ্মীর। সন্ত্রাসবাদ আর হিংসার আতঙ্কেই কাশ্মীরে বিনিয়োগ আসছে না বলে মনে করা হচ্ছে।

কাশ্মীর নিয়ে সরব রাহুল
কাশ্মীর নিয়ে ফের সরব হয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি কাশ্মীরের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। শ্রীনগরে দলীয় পার্টি অফিসের উদ্বোধনে গিয়ে রাহুল গান্ধী বলেন, তাঁর মধ্যে এখনও সামান্য কাশ্মীরিয়ত রয়েছে। কারণ তার পূর্বপুরুষ বাস করত এই কাশ্মীরে। তাই কাশ্মীরের বাসিন্দাদের সঙ্গে তিনি নিজেকে একাত্ম বোধ করেন। কাশ্মীরের পূর্ণ রাজ্যের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে সরব হয়েছেন তিনি। এদিন শ্রীনগরের প্রসিদ্ধ হজরত বল দরগাতেও গিয়েছিলেন তিনি। সেখানকার ছবি নিেজর ইনস্টা পোস্টে শেয়ারও করেছিলেন তিনি।

কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপ
২০১৯ সালে মোদী সরকার দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পরেই কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছিলেন। তারপরেই কাশ্মীরে জরুির অবস্থা জারি করা হয়। কাশ্মীর এবং লাদাখকে দুটি পৃথক কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হয়। কাশ্মীরে নির্বাচন করার প্রস্তুতি শুরু করেছে মোদী সরকার। সেকারণে সেখানকার ডিলিমিটেশন প্রক্রিয়া বিরোধীদের সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। কিন্তু পিডিপি তাতে একেবারেই নারাজ। কাশ্মীরের পূর্ণ রাজ্যের অধিকার ফিরিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত তাঁরা কোনও রকম সহযোগিতা মোদী সরকারকে করবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications