ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে ছিল ২০২১-এ, রিপোর্ট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের
ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সমর্থ হয়েছে সরকার। ২০২১-এর কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে রিপোর্টে।
ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সমর্থ হয়েছে সরকার। ২০২১-এর কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে রিপোর্টে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের রিপোর্টে জানানো হয়েছে, তাঁরা নিরাপত্তা রক্ষাযে যে সমস্ত পদক্ষেপ নিয়েছে তা কার্যকরী হয়েছে। রাজ্য পুলিশ বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিশেষভাবে মনোনিবেশ করে সাফল্য পেয়েছে কেন্দ্র।

সোমবার ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতি ২০২১-২২ সালের বার্ষিক রিপোর্ট প্রকাশ পেয়েছে। সেখানে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য ভারত সরকার যথাযথ অগ্রাধিকার দিয়েছে জম্মু-কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা, উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলিতে নিরাপত্তা পরিস্থিতি বজায় রাখা, বামপন্থী চরমপন্থার বিরুদ্ধে লড়াই করা এবং দেশের অভ্যন্তরে শান্তি বজায় রাখা।
দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায় মূল সমস্যা সন্ত্রাসবাদ, বামপন্থী চরমপন্থা, নির্দিষ্টি কিছু এলাকায় নকশাল সমস্যা, উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলিতে বিদ্রোহ এবং জম্মু ও কাশ্মীরের আন্তঃসীমান্ত সমস্যা সম্পর্কিত বিষয়গুলি শ্রেণিবদ্ধ করা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে নিয়মিত প্রশিক্ষণ, সন্ত্রাসের ঘটনার তদন্তে গুরুত্ব, রাজ্য পুলিশবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে জোর।
এছাড়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত সন্ত্রাসী সংগঠন বা ব্যক্তিদের নাম যথাক্রমে প্রথম তফশিল এবং বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন ১৯৬৭-র চতুর্থ তফশিলে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে, কেন্দ্রীয় সরকার এখনও পর্যন্ত ৪২টি সংগঠনকে সন্ত্রাসী সংগঠন এবং ৩১ জনকে পৃথক সন্ত্রাসী হিসেবে ঘোষণা করেছে।
তাছাড়া ভারত সক্রিয়ভাবে বিদেশি দেশগুলির সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জয়েন্ট গ্রুপের মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করেছিল। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি দেশের নিরাপত্তা, শান্তি ও জনস্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে মৌলবাদী সংগঠন ও গোষ্ঠীর কার্যকলাপের উপর কড়া নজর রাখে এবং যেখানে প্রয়োজন সেখানে আইনের বিদ্যমান বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য জাতীয় তদন্ত সংস্থা বা এএনআই ২০০৮ সালে তফশিলে উল্লেখিত অপরাধের তদন্ত এবং বিচারের জন্য গঠিত হয়েছিল, তার শুরু থেকেই এই বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত ৪৩৮টি মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। তার মধ্যে ৩৪৯টি মামলার চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। ৮৯টি মামলার বিচার শেষ হয়েছে এবং ৮৩টি মামলায় দোষীসাব্যস্ত হয়েছে।
মাল্টি এজেন্সি সেন্টারের সূচনা থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত ৪ লক্ষ ৬ হাজার ৯২৫টি ইনপুট শেয়ার করা হয়েছে। ২৯৭টি দৈনিক নোডাল অফিসার মিটিং, পোকাল গ্রুপ মিটিং, পাঞ্জাবের ক্রস বর্ডার টেররিজম বা এলডব্লিউই ইস্যু বা বিদ্রোহ এবং উত্তর-পূর্বের আইআইজি ক্যাম্প সম্পর্কিত বিষয়গুলি নিয়ে ২০২১ সালে নয়াদিল্লির এমএসিতে আয়োজন করা হয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications