রেপো রেট বৃদ্ধি পর গৃহঋণে ইএমআইও বেড়েছে? কীভাবে কমাবেন ক্রমবর্ধমান খরচ, জানুন
এই অবস্থায় প্রশ্ন গৃহঋণ গ্রহীতাদের এখন কী করা উচিত? তাঁরা কি ইএমআই কমাতে ঋণের মেয়াদ বাড়াবেন? নাকি অন্য কোনও পন্থা নেবেন।
রিজার্ভ ব্যাঙ্ক রেপো রেট বৃদ্ধি করেছে। ফলে সাধার মধ্যবিত্তের পকেটে টান পড়ার জোগাড় হয়েছে। কেননা এবার গৃহঋণের ইএমআইও বাড়বে। ব্যাঙ্ক ইতিমধ্যেই ইএমআই রেট সেট করে ফেলেছে। ফলে সামনে মাস থেকেই আপনাকে বর্ধিত হারে ইএমআই দিতে হবে। এই অবস্থায় খরচ কমানো আপনার কাছে হয়ে উঠেছে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ।
বুধবার রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ২৫ বেসিস পয়েন্ট রেপো রেট বাড়িয়েছে। ফলে রেপো রেট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৫ শতাংশ। এর ফলে হোম লোনে সুদের হারও বাড়বে ০.২০ শতাংশ থেকে ০,৩০ শতাংশ পর্যন্ত। ফলে অতিরিক্ত ইএমআই দিতে গিয়ে আপনাকে সমস্যা পড়তে হতে পারে। বাড়বে বোঝা। সেই বোঝা কমাতে আপনাকে পরিবর্তন করতে হবে চ্যালেঞ্জ।

রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর জানিয়েছেন, মুল্যবৃদ্ধির হার ২০২৩ অর্থবর্ষে ৫.৬ শতাংশ থাকতে পারে। আর অর্থবর্ষ ২০২৪-এ তা কমে ৪ শতাংশের উপরে থাকবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। এই অবস্থায় যাঁরা লোন নিয়েছেন বা যাঁরা ঋণ নেওয়ার চেষ্টা করছেন তাঁদের ইএমআই বৃদ্ধির সঙ্গে যাতে মূলস্ফীতির সমাঞ্জস্য থাকে তা দেখাও দরকার।
সাম্প্রতিক ইএমআই বৃদ্ধিতে ঋণগ্রহীতাদের বোঝা চাপবে। গৃহঋণ হোক বা অটো, ব্যক্তিগত ঋণ- সেক্ষেত্রে আরও বেশি গাঁটের কড়ি খরচা হবে। তাই আনুসাঙ্গিক খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্য বিধান করতে হবে ঋণগ্রহীতাদেরও। আরবিআই যেমন মুল্যস্ফীতি নিয়ে সতর্ক থাকবে, তেমনই সাধারণ মানুষকেও আরও হিসেবি হতে হবে। তা না হলে বিপদ বাড়বে। নাভিশ্বাস উঠবে মাসের শেষে।
এই অবস্থায় প্রশ্ন গৃহঋণ গ্রহীতাদের এখন কী করা উচিত? তাঁরা কি ইএমআই কমাতে ঋণের মেয়াদ বাড়াবেন? হয় তাদের মাসিক কিস্তি একটু বাড়াতে হবে নতুবা ইএমআইয়ের চাপ কমাতে মেয়াদ বাড়াতে হবে। বেশিরভাগ ব্যাঙ্কই ইএমআই স্থির রেখে ঋণের মেয়াদ বাড়াতে পছন্দ করে। সেক্ষেত্রে ব্যাঙ্কের লাভ বেশি। তারা আরও বেশিদিন সুদ পাবে।
ক্রমবর্ধমান সুদের খরচ বাঁচাতে ঋণ গ্রহীতারা প্রিপেমেন্ট ব্যবস্থা করতে পারেন। তখন সুদের চাপ আপনার কমে যাবে। ডিসেম্বরে আরবিআই দ্বারা ঘোষিত হার বৃদ্ধির ফলে বহেশ কয়েকটি ব্যাঙ্ক তাদের রেপো লিঙ্কযুক্ত ঋণের ইএমআই বাড়িয়েছে। এদিকে আরবিআই ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের জিডিপি বৃদ্ধি ৬.৪ শতাংশ অনুমান করেছে।
২০২২-এর মে মাস থেকে আরবিআই রেপো রেট মোট ২২৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়েছে। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণেই এই বৃদ্ধি বলে জানিয়েছেন গভর্নর শক্তিকান্ত দাস। মোট সাতবার রেপো রেট বাড়ানো হয়েছে। ফলে সাধারণ মধ্যবিত্তের উপর চাপ বেড়েই চলেছে সরকারের এই নীতিতে।












Click it and Unblock the Notifications