করোনা আবহে কুম্ভ মেলার আয়োজন, উত্তরাখণ্ড সরকারের সমালোচনায় হাইকোর্ট
করোনা আবহে কুম্ভ মেলার আয়োজন
কোভিড–১৯ পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্য সরকারের তীব্র সমালোচনা করল উত্তরাখণ্ড হাইকোর্ট। হাইকোর্ট জানিয়েছে যে বিধ্বস্ত করোনা মহামারির মধ্যে কুম্ভ মেলা আয়োজন করে রাজ্য হাসির খোরাক হয়ে উঠেছে। প্রসঙ্গত, গত ২৭ এপ্রিল শেষ হয় কুম্ভের সাহী স্নান। এই মেলা চলাকালীন বহু সাধু–সন্ন্যাসী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

করোনা পরিস্থিতির মধ্যে কুম্ভ মেলা আয়োজন নিয়ে একাধিক জনস্বার্থ মামলার আবেদন করা হয়, সেই শুনানিতে মুখ্য বিচারপতি আরএস চৌহান এবং অলোক কুমার বর্মারের বেঞ্চ গোটা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করেন। বিচারপতিরা আগামী মাস থেকে শুরু হওয়া চারধাম যাত্রা শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন এবং জানিয়ে ছিলেন যে এই সময়ে তীর্থযাত্রা পরিচালনার সম্ভাবনা 'ভীতিজনক’। যদিও সরকার ইতিমধ্যেই জানিয়েছিল যে এই যাত্রা নিয়ে শীঘ্রই তারা এসওপি জারি করবে।
রাজ্যে বেড ও অক্সিজেনের অভাব রোগী ও তাঁর পরিবারের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি করছে, এ সংক্রান্ত আবেদনে আদালত সরকারকে একগুচ্ছ নির্দেশ দিয়েছে। সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে শ্মশানে লম্বা লাইন, দেহ পোড়ানোর জন্য কাঠের অভাব, দেহ ও রোগী বহন করার জন্য অতিরিক্ত টাকা চাওয়া অ্যাম্বুলেন্সের, এইসব বিষয়কে সামনে রেখে আদালত নির্দেশ দেয় যে কিছু নির্দিষ্ট এলাকাকে সাময়িককালের জন্য মশানে পরিকরুক সরকার। ণত করে শ্মশানের সংখ্যা বাড়ানো হোক এবং কাঠের অভাব নেই তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে। এছাড়াও জেলা শাসকদের (ডিএম) নির্দেশ দেওয়া হয় অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে অতিরিক্ত মূল্য নেওয়া এবং বেআইনি অ্যাম্বুলেন্স পরিচালকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।
কুম্ভমেলার শেষ শাহী স্নানের পরেই হরিদ্বারে জারি হয় কোভিড কার্ফু। হরিদ্বার এবং সংলগ্ন রুরকি, লস্কর, ভগবানপুর প্রভৃতি অঞ্চলে এই কার্ফু জারি হয়েছে। আগামী ৩ মে পর্যন্ত এই কার্ফু চলবে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে। ২৭ এপ্রিল শেষ হয়েছে কুম্ভের শেষ শাহী স্নান। এর আগে দু’টি শাহী স্নান হয় ১২ এবং ১৪ এপ্রিল।












Click it and Unblock the Notifications