নতুন যুগের জন্য তৈরি, পাইলটের হয়ে হোর্ডিং পড়ল রাস্তায়
রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটকে কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচিত করা হলে কে তার স্থলাভিষিক্ত হবেন তা নিয়ে রাজস্থানে রাজনৈতিক উত্তেজনা তীব্র হওয়ার সাথে সাথে যোধপুরের বিভিন্ন জায়গায় "সত্যমেব জয়তে, নয়ে যুগ কি তাইয়ারি" লেখা সহ কংগ্রেস বিধায়ক সচিন পাইলট সমন্বিত হোর্ডিং লাগানো হয়েছে।

বিধানসভা থেকে পদত্যাগ
রবিবার রাতে মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের অনুগত ৮২ জন বিধায়ক রাজ্য বিধানসভা থেকে পদত্যাগ করার পরে রাজস্থানে নয়া রাজনৈতিক নাটক শুরু হয়। বিধায়করা ২০২০ সালের জুলাইয়ে গেহলট সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহকারীদের কাছ থেকে রাজস্থানের নতুন মুখ্যমন্ত্রী নিয়োগের বিরোধিতা করছেন।

অশোক গেহলট জিতলে সচিন পাইলট
কংগ্রেসের প্রধান নির্বাচনে অশোক গেহলট জিতলে সচিন পাইলট নতুন মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেবেন বলে জল্পনা শুরু হওয়ার পরে এই হোর্ডিং লাগানো হয়েছে। এদিকে, কংগ্রেসের অন্তর্বর্তী সভাপতি সোনিয়া গান্ধী পর্যবেক্ষক মল্লিকার্জুন খার্গে এবং অজয় মাকেনকে সঙ্কট সমাধানের জন্য বিধায়কদের সাথে একের পর এক আলোচনা করার নির্দেশ দিয়েছেন।

দ্বৈত ভূমিকা
গেহলটের জন্য দ্বৈত ভূমিকায় থাকার সম্ভাবনা এই সপ্তাহের শুরুতে শেষ করে দিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। তিনি "এক ব্যক্তি এক পদ" নিয়মের উপর জোর দিয়েছিলেন। গেহলটের অনুগত বিধায়কদের রিসর্টে নিয়ে যাওয়া হবে কিনা তা নিয়ে জল্পনা-কল্পনার মধ্যে, বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব রাহুল গান্ধীর সাথে গেহলট এবং সচিন পাইলটের একটি পুরানো ছবি টুইট করেছেন। ছবিটি চার বছর আগে রাহুল গান্ধী টুইট করেছিলেন, যেদিন তিনি পাইলটকে রাজি করিয়েছিলেন গেহলটের ডেপুটি ভূমিকা গ্রহণ করতে।
এইবার এই ছবির ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, "অনুগ্রহ করে তাদের এবার তাদের এক জায়গায় আসতে বলুন, রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেসের "ভারত জোড়ো যাত্রা"-তে এটা বড় ধাক্কা"। অর্থাৎ তাঁরা বলতে চাইছেন যে দলের অন্দরে ভাঙন তাঁরা আবার ভারত জুড়বে বলে পথে নেমেছে। এমন ভাবে তাঁরা উপহাস করছে কংগ্রেসকে।
বিজেপি ধারাবাহিকভাবে কন্যাকুমারী থেকে কাশ্মীর পদযাত্রাকে উপহাস করে আসছে, বলেছে যে কংগ্রেসের অনেক সিনিয়র নেতা দল ছাড়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তাই দলকে একত্রিত করায় মনোনিবেশ করা উচিত। আরেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত, টুইট করেছেন, "এটি এমন একটি সরকার যাদের নিজেদেরই বেড়া দিয়ে বাঁধতে হবে।"

৯২জন বিধায়ক
কংগ্রেসের ৯২জন বিধায়ক স্পিকারের সাথে দেখা করছেন, জোর দিয়ে বলছেন যে তাদের দাবি পূরণ না হলে তারা পদত্যাগ করবেন। এবার যদি প্রকৃতপক্ষেই রাজস্থান কংগ্রেসের গণ পদত্যাগ হয়, তাহলে সরকারের পতন ঘটাবে এবং রাজ্যকে বিজেপির হাতে ক্ষমতা চলে যাবে। কিছু কংগ্রেস নেতা এই সম্ভাবনাকে খারিজ করে দিয়েছেন, বিধায়কদের পদক্ষেপকে "আবেগজনক অঙ্গভঙ্গি" বলে অভিহিত করেছেন। সবমিলিয়েন এটা অনেকেই বলছেন যে এভাবে চললে সরকারে পতন ঘটবে এবং আগামী দিনেও তাদের ফিরে আসার সম্ভাবনা কম।












Click it and Unblock the Notifications