গুয়াহাটি-বিকানের এক্সপ্রেসের আগেও যেসব ভয়াবহ দুর্ঘটনার সাক্ষী থেকেছে ভারতীয় রেল

ভয়ঙ্কর রেল দুর্ঘটনার সাক্ষী জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ি অঞ্চলের দোমোহনি এলাকা। বৃহস্পতিবার বিকেলে আচমকা বেলাইন হয়ে যায় আপ পটনা-গুয়াহাটি বিকানের এক্সপ্রেসের একাধিক কামরা। তার মধ্যে সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ৪টি বগি। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধার কার্য। আহতদেরকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হল উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজে। সেখানে পৌঁছেছেন তৃণমূল নেতা গৌতম দেব। ঘটনাস্থলে উপস্থিত আছেন রাজ্যের মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন, পরেশ অধিকারী, বুলুচিক বড়াইক, বিধায়ক খগেশ্বর রায় প্রমুখ । জলপাইগুড়ির জেলা শাসক, আই জি নর্থ বেঙ্গল, এস পি জলপাইগুড়ি। কিন্তু এই ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনাই একা নয়, এর আগেও একাধিক রেল দুর্ঘটনায় বীভৎস স্মৃতি আঁকড়ে আজও রয়েছে ভারত। দেখে নেওয়া যাক, তেমনই কিছু ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনার টুকরো করচা।

গুয়াহাটি-বিকানের এক্সপ্রেসের আগেও যেসব ভয়াবহ দুর্ঘটনার সাক্ষী থেকেছে ভারতীয় রেল

৩রা ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ - বিহারের পাটনার কাছে সীমাঞ্চল এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত হয়। এই ঘটনায় সাতজন যাত্রী নিহত হন। আহত হন বেশ কিছু যাত্রী।

১০ই অক্টোবর, ২০১৮ - উত্তর প্রদেশের রায়বেরেলির হরচাঁদপুর রেলওয়ে স্টেশনের কাছে নিউ ফারাক্কা এক্সপ্রেস ট্রেনের ছয়টি বগি লাইনচ্যুত হয়। ঘটনায় সাতজন মারা যাযন। এবং ৬০ জনেরও বেশি যাত্রী আহত হন।

২১শে জানুয়ারী ২০১৭ - অন্ধ্রপ্রদেশের ভিজিয়ানগরম জেলায় জগদলপুর-ভুবনেশ্বর হীরাখণ্ড এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন এবং নয়টি কোচ ট্র্যাক থেকে বেলাইন হয়। এই ঘটনায় কমপক্ষে ৩৯ জন নিহত এবং ৬৯ জন আহত হন।

২৮শে ডিসেম্বর, ২০১৬ - কানপুর দেহাত জেলার রুরা রেলওয়ে স্টেশনের কাছে একটি ব্রিজ পার হওয়ার সময় শিয়ালদহ-আজমের এক্সপ্রেসের ১৫টি বগি লাইনচ্যুত হলে কমপক্ষে ৬২ জন যাত্রী আহত হন।

২০শে নভেম্বর, ২০১৬ - এই বছরেই উত্তর প্রদেশের কানপুর দেহাত জেলার পুখরায়নের কাছে ইন্দোর-পাটনা এক্সপ্রেসের ১৪ টি বগি লাইনচ্যুত হয়। তাতে ১০০ জনেরও বেশি যাত্রী নিহত এবং ২০০ জনেরও বেশি আহত হন।

১০ই জুলাই, ২০১১ - দ্রুতগামী দিল্লিগামী কালকা মেলের ১৫টি বগি লাইনচ্যুত হলে কমপক্ষে ৭০ জন যাত্রী নিহত এবং শতাধিক আহত হন।

২৮শে মে, ২০১০ - পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় মাওবাদীদের দ্বারা জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত হওয়ার পরে কমপক্ষে ১৪৮ জন নিহত হন।

৯ সেপ্টেম্বর, ২০০২- হাওড়া-দিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেসের একটি বগি বিহারের ঔরঙ্গাবাদ জেলার ধভে নদীতে পড়ে যাওয়ার ফলে ১০০ জন যাত্রী নিহত এবং ১৫০ জন আহত হন।

২রা আগস্ট, ১৯৯৯- আসামের গাইসালে মোট ২,৫০০ জন যাত্রী বহনকারী দুটি ট্রেনের সংঘর্ষে কমপক্ষে ২৯০ জন যাত্রী নিহত হন। এটিকে এখনও পর্যন্ত ভারতের সবথেকে বড় রেল দুর্ঘটনা বলা হয়।

২৬শে নভেম্বর, ১৯৯৮- পাঞ্জাবের খান্নার কাছে ফ্রন্টিয়ার মেলের লাইনচ্যুত বগিগুলির সঙ্গে জম্মু তাওয়াই-শিয়ালদহ এক্সপ্রেস সংঘর্ষে কমপক্ষে ২১২ জন নিহত হন।

২০শে অগাস্ট, ১৯৯৫- উত্তর প্রদেশের ফিরোজাবাদ রেলওয়ে স্টেশনের কাছে পুরুষোত্তম এক্সপ্রেস কালিন্দী এক্সপ্রেসের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হন ৪০০ জন।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+