J&K Assembly Election 2024: এই প্রথম ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন পাকিস্তান থেকে আসা হিন্দু শরণার্থীরা
ভূস্বর্গে আজ দ্বিতীয় দফার বিধানসভা নির্বাচন। সকাল থেকেই ভোটের লাইনে দাঁড়িয়েছেন বাসিন্দারা। কাশ্মীরি পণ্ডিতরাও ভোটের লাইনে। ৩৭০ ধারা বাতিলের পর প্রথম বিধানসভা ভোট হচ্ছে কাশ্মীরে।
সব মহলের নজর রয়েছে এই ভোটের দিকেই। এরই মাঝে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হল এবারই প্রথম ভোটের লাইনে দাঁড়িয়েছে পাকিস্তান থেকে আসা হিন্দু শরণার্থীরা। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় এদেশে চলে এসেছিলেন তাঁরা। কিন্তু তারপরেও তাঁরা ভোটাধিকার পাননি।

পাকিস্তানের পশ্চিম পাঞ্জাব প্রদেশ থেকে ভারতে এসে আশ্রয় নিয়েছিলেন তাঁরা। ভূস্বর্গে কয়েকবংশ বাস করে ফেললেও সেখানকার বিশেষ মর্যাদার কারণে এতোদিন তাঁরা ভোট দিতে পারেননি। সরকারের পক্ষ থেকেও তাঁদের জন্য কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এবার তাঁরা দাঁড়াতে পেরেছেন ভোটের লাইনে। ২০২৯ সালে ভূস্বর্গের বিশেষ মর্যাদা খারিজ করে দেয় মোদী সরকার। তারপরেই কাশ্মীর এবং লাদাখকে দুটি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
এর আগে কখনও বিধানসভা ভোটে অংশ নেননি এই হিন্দু শরণার্থীরা। ২০২০ সালে প্রথম ডেভলপমেন্ট কাউন্সিলের ভোটে অংশ নিয়েছিলেন তাঁরা। সেই হিন্দু শরণার্থীদের ভারতে বসবাসের অনুমতি পত্র দিয়েছে মোদী সরকার। সেই সঙ্গে তাঁদের ৫ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যও দেওয়া হয়েছে। ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশ থেকে ভারতে চলে এসেছিলেন প্রায় ৫,৭৬৪ জন হিন্দু শরণার্থী। তাদের সংখ্যা এখন বেড়ে হয়েছে ২০,০০০। তারা অনেকেই পশ্চিম পাকিস্তান থেকে আসা হিন্দু শরণার্থী। প্রথমবার ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে ভীষণ খুশি তাঁরা।
কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিলের পরে এই হিন্দু শরণার্থী এবং বাল্মিকীরা ভোটাধিকার পেয়েছেন। এবার প্রথম তাঁরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। গত কয়েক দশক ধরে তাঁরা ভোটাধিকার ছাড়াই বসবাস করছিলেন ভূস্বর্গে। অবশেষে ভোটাধিকার পেয়েছেন তাঁরা। প্রথমবার বোটের লাইনে দাঁড়িয়েছেন এই হিন্দু শরণার্থী এবং বাল্মিকীরা।












Click it and Unblock the Notifications