দ্রৌপদী মুর্মুকে নিয়ে অখিল গিরির মন্তব্যে চাপ মমতার ওপরে! ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে সরব প্রতিবেশী মুখ্যমন্ত্রী
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের কারা প্রতিমন্ত্রী অখিল গিরির করা মন্তব্যে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। পাশাপাশি উত্তপ্ত হতে শুরু করেছে দেশের রাজনীতিও। রবিবার দিল্লি অখিল গিরির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছ
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের কারা প্রতিমন্ত্রী অখিল গিরির করা মন্তব্যে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। পাশাপাশি উত্তপ্ত হতে শুরু করেছে দেশের রাজনীতিও। রবিবার দিল্লি অখিল গিরির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন হুগলির বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। এবার প্রতিবেশী অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেছেন।

ইচ্ছাকৃত মন্তব্য
সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেছেন সবাই মনে করেন, অখিল গিরি ইচ্ছাকৃতভাবে মন্তব্যটি করেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উচিত তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। অসমের আদিবাসীরা তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানিয়েছেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

অখিল গিরিকে বরখাস্তের দাবি করেছিলেন লকেট
রবিবার দিল্লির এক থানায় অখিল গিরির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। সেই সময় তিনি বলেন. মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উচিত অখিল গিরিকে বরখাস্ত করা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একজন মহিলা হওয়ার পরেও তাদের দলের নেতা দেশের সর্বোচ্চ চেয়ারে থাকা এক আদিবাসী মহিলাকে অপমান করে বিবৃতি দিয়েছেন। কিন্তু এব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী এখনও কোনও বিবৃতি দেননি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবস্থানকে কটাক্ষ করে বলেছেন, উত্তর প্রদেশের কোনও মহিলার সঙ্গে জড়িত কোনও ঘটনা হলে, তিনি মোমবাতি মিছিল করেন। সাংসদ, বুদ্ধিজীবীদের দল পাঠান সেখানে। এক্ষেত্রে অবিলম্বে অখিল গিরিকে বরখাস্তের দাবি করেছেন লকেট চট্টোপাধ্যায়।

অখিল গিরির বিতর্কিত মন্তব্য ও ক্ষমা চাওয়া
দিন কয়েক আগে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে তৃণমূলে কর্মসূচিতে অখিল গিরিকে বলতে শোনা যায়, আমি দেখতে সুন্দর নই। তুমি কত সুন্দর! তিনি আরও বলেন, তৃণমূল কাউকে চেহারা দিয়ে বিচার করে না। তারা রাষ্ট্রপতির অফিসকে সম্মান করে। এরপরেই তিনি বিতর্কিত মন্তব্য করেন। বলেন, রাষ্ট্রপতিকে দেখতে কেমন?
তবে এই মন্তব্য নিয়ে শোরগোল শুরু হতেই অখিল গিরি ক্ষমা চেয়ে নেন। সেখানে তিনি বলেন. দেশের সংবিধানের প্রতি এবং ভারতের রাষ্ট্রপতির প্রতি তার সম্মান রয়েছে। তিনি দেশের সংবিধান অনুযায়ী কাজ করেন।

তৃণমূলের অবস্থান
অখিল গিরির মন্তব্য নিয়ে বিতর্কের শুরু থেকেই তৃণমূল জানিয়েছে, এটা দলের মন্তব্য নয়। এব্যাপারে তৃণমূলের তরফে পাল্টা বিরোধী দলনেতাকে নিশানা করা হয়েছে। তৃণমূল বলেছেন, অখিল গিরি এসব বলে অন্যায় করেছেন। দল এর তীব্র নিন্দা করছে। এব্যাপারে রাজ্যের মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা প্রতিবাদ করেছেন। তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ গত বিধানসভা নির্বাচনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দিদি ওদিদি সম্বোধনেরও নিন্দা করেছেন।












Click it and Unblock the Notifications