Tripura election 2023: এবার আরও বেশি আসনে জয়! ত্রিপুরায় বিজেপির সরকার গঠনে আত্মবিশ্বাসী হিমন্ত বিশ্বশর্মা
২০১৮-র থেকে বিজেপির এবার ত্রিপুরায় আরও বেশি আসন পাবে। এমনটাই দাবি অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার।
পাঁচ বছরের শাসনের একেবার শেষ সময়ে এসে বিজেপিকে মুখ্যমন্ত্রী পরিবর্তন করতে হয়েছে ত্রিপুরায়। প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরে বিভিন্ন জায়গায় দলীয় অফিসে তালা দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে। সেই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়েও এবার বিজেপি গতবারের থেকে বেশি আসনে জয় পাবে। আর বিজেপি একাই সরকার গঠন করবে বলে আত্মবিশ্বাসী অসমের মুখ্যমন্ত্রী তথা উত্তর-পূর্ব গণতান্ত্রিক জোটের আহ্বায়ক হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

আইপিএফটি জোটসঙ্গী থাকবে
এদিন ত্রিপুরায় মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল। শেয দিন সকালে মনোনয়ন জমা দেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। এরপর আগরতলাক মুখ্যমন্ত্রীকে পাশে নিয়ে উত্তর-পূর্ব গণতান্ত্রিক জোটের আহ্বায়ক হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, তাঁরা ত্রিপুরাক ঐক্যের কথা চিন্তা করেই তারা এককভাবে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তারা এবার নিজেদের মতো করেই সরকার গঠন করবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে আইপিএফটি তাদের জোটসঙ্গী হিসেবে থাকবে। প্রসঙ্গত আইপিএফটিকে বিজেপি এবারের নির্বাচনে পাঁচটি আসন ছেড়েছে।

ত্রিপুরায় শান্তির পরিবেশ
হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেছেন, ত্রিপুরায় এখন শান্তির পরিবেশ বিরাজ করছে। তবে ২০১৮-র নির্বাচনের সময় সেখানে ভয়ের পরিবেশ ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ত্রিপুরায় সাধারণ মানুষ উন্নয়নের জন্য শান্তির পরিবেশ চায় বলেও জানিয়েছেন তিনি।

মোদীর নীতি ও উন্নয়নকে সামনে রেখে ভোট
ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নীতি এবং উন্নয়নের কর্মকান্ড দেখেই লোকেরা বিজেপিকে আরও বেশি করে ভোট দেবে। এদিন মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগে ত্রিপুরা মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা এবং অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা ত্রিপুরেশ্বরী মন্দিরে পুজা দেন।

বিজেপির বিশ্বাস হারিয়েছে আইপিএফটি
২০১৮-র বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ও আইপিএফটির জোট ত্রিপুরায় ২৫ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটায়। ৬০ টি আসনের মধ্যে জোট পেয়েছিল ৪৪ টি আসন। বিজেপি সেখানে একাই পেয়েছিল ৩৬ টি আসনি। ২০১৮-তে আইপিএফটি ৯ টি আসনে লড়াই করে যেখানে আটটিতে জয় পেয়েছিল, সেখানে এবার তাদের জন্য বরাদ্দ ৫ টি আসন।
গত বছরে ত্রিপুরা উপজাতি স্বশাসিত জেলাপরিষদ নির্বাচনে জয়ের পরে আইপিএফটি তিপ্রা মোথার দিকে হেলে যায়। বৃহত্তর তিপ্রাল্যান্ডের দাবিকে সামনে রেখে বিধানসভা নির্বাচনে দুদল একসঙ্গে লড়াই করতে পারে বলেও জল্পনা তৈরি হয়। গুয়াহাটিতে দুদলের বৈঠকও হয়। শেষ পর্যন্ত তা আর হয়নি। তবে এর আগে তিপ্রা মোথার সঙ্গে জোট নিয়ে আলোচনা করেছিলেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা এবং অমিত শাহ। সেখানে তিপ্রা মোথা বৃহত্তর তিপ্রাল্যান্ডের ব্যাপারে কোনও আশ্বাস পায়নি। উপরন্তু লিখিত কোনও আশ্বাস ছাড়াও দাবিও প্রত্যাখ্যান করেন তাঁরা।












Click it and Unblock the Notifications