তথ্যে কারচুপি হতে পারে, এনআরসি নিয়ে নতুন দাবি খোদ অসমের অর্থমন্ত্রীর
আজই প্রকাশিত হয়েছে এনআরসির চূড়ান্ত তালিকা।
আজই প্রকাশিত হয়েছে এনআরসির চূড়ান্ত তালিকা। প্রায় ১৯ লক্ষ বাসিন্দার নাম বাদ গিয়েছে সেই তালিকা থেকে। কিন্তু তারপরেই সন্তুষ্ট নন অসমের অর্থমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তিনি পুণরায় তথ্য খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন। হিমন্তের দাবি, কারচুপি হতে পারে তথ্য। তাই আবার সেই নথিগুলি খতিয়ে দেখা হোক।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এনআরসির চূড়ান্ত নাগরিকপঞ্জি প্রকাশিত হয়েছে এরই মধ্যে এই নিয়ে চাপান উতোর শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। রাজ্যের অর্থমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা তথ্য কারচুপির সম্ভাবনার কথা জানিয়ে পুণরায় সীমান্তবর্তী জেলাগুলির বাসিন্দাদের তথ্য খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন। তিনি টুইটে দাবি জানিয়েছেন ১৯৭১ সালের পর অসমে অনুপ্রবেশকরী অনেকের নামই জায়গা করে নিয়েছে এই তালিকায়। তিনি দ্বিতীয়বার ২০ শতাংশ পুণর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন।
এনআরসির চূড়ান্ত তালিকা থেকে নাম বাদ পড়েেছ ১৯ লাখ বাসিন্দার। তাতেও সন্তুষ্ট নন অসমের অর্থমন্ত্রী। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ থেকে আসা একাধিক বাসিন্দা তথ্য কারচুপি করে তালিকায় নাম তুলেছে। যেগুলি ফের নতুন করে পরীক্ষা করা উচিত বলে দাবি জানিয়েছেন তিনি। এদিকে এই বাদ পড়া ১৯ লাখ বাসিন্দা ৩১ ডিেসম্বরের মধ্যে নিজেদের নাগরিকত্ব প্রমাণের তথ্য জমা করতে পারবেন।
এনআরসির চূড়ান্ত তালিকা থেকে ১৯ লাখ বাসিন্দার নাম বাদ পড়াকে ভাল চোখে দেখছেন না বিরোধীরা। দিল্লিতেও এই নিয়ে সরব হয়েছেন তাঁরা। পুরো বিষয়টি নিয়ে দিল্লিেত বৈঠকে বসছে কংগ্রেস হাইকমান্ড। সেখানেই পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এদিকে বিজেপি আগেই দাবি করেছে, কংগ্রেস এনআরসির বিরোধিতায় সরব হয়েছে ঠিকই কিন্তু এই এনআরসি তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রাজীব গান্ধীর নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস সরকারই।
এনআরসির চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের কারণে অসমে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। অতিরিক্ত ৫১ কোম্পানি আধাসেনা মোতায়েন করা হয়েছে। একাধিক জায়গায় জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও গণ্ডগোলের খবর পাওয়া যায়নি।












Click it and Unblock the Notifications