Himachal Election 2022: হিমাচলে বিজেপি কি আদৌ ক্ষমতা থাকতে পারবে, নাকি ফের কংগ্রেস? সর্বশেষ সমীক্ষার ফল একনজরে
হিমাচল প্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন ( Himachal election 2022) ১২ নভেম্বর। প্রচার শেষ পর্যায়ে। এবারও হিমাচল প্রদেশের লড়াই হতে যাচ্ছে দ্বিমুখী। এবিপি- সি ভোটার (abp-c voter) সমীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। সমীক্ষায় ভোটদাতাদের মনোভাব বোঝার চেষ্টা করা হয়েছে।

কংগ্রেস ও বিজেপির তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা
এবিপি- সি ভোটারের সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে এবার কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে যাচ্ছে। সমীক্ষায় বলা হয়েছে, আম আদমি পার্টি তৃতীয় স্থানে রয়েছে। অক্টোবরের সমীক্ষায় ৫০ শতাংশের বেশি উত্তরদাতা বলেছিলেন বিজেপি ক্ষমতায় আসবে। তবে শেষ সমীক্ষায় ৪৬ শতাংশ মানুষ বলছেন বিজেপি ক্ষমতায় আসবে।
অন্যদিকে অক্টোবরে যেখানে ৩৫.৫ শতাংশ মানুষ বলেছিলেন কংগ্রেস ক্ষমতায় আসবে। আর সর্বশেষ সমীক্ষায় ৪৩ শতাংশ মানুষ বলছেন কংগ্রেস ক্ষমতায় আসবে।

হিমাচল প্রদেশের 'প্রথা'
গত প্রায় ৪০ বছর ধরে হিমাচল প্রদেশের 'প্রথা' হল পরপর কোনও দলের দুবার ক্ষমতায় না আসা। এটাই হয়ে আসছে। তবে এই প্রথার কোনও পরিবর্তন হচ্ছে কিনা, তার জন্য ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

ক্ষোভ বেড়েছে বিজেপি সরকারের প্রতি
অন্যদিকে সমীক্ষায় হিমাচল প্রদেশের জয়রাম ঠাকুরের সরকারের প্রতি ক্ষুব্ধ মানুষের সংখ্যাও বাড়ছে। অক্টোবরের সমীক্ষায় ৪৫ শতাংশ থেকে তা বেড়ে ৪৮ শতাংশে পৌঁছে গিয়েছে। তবে প্রায় ৩৬ শতাংশ মানুষ মনে করছেন জয়রাম ঠাকুর ভাল কাজ করেছেন। আর প্রায় ৬৬ শতাংশ মানুষ প্রধানমন্ত্রী দক্ষতার প্রশংসা করেছেন।

পছন্দের মুখ্যমন্ত্রী
সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, হিমাচল প্রদেশের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম ঠাকুর পছন্দের মুখ্যমন্ত্রীদের তালিকায় সব থেকে ওপরে রয়েছেন। তাঁকে ৩৩.৭ শতাংশ মানুষ সমর্থন করছেন। হিমাচল প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বীরভদ্র সিং-এর স্ত্রীকে সমর্থন করছেন ২০.৩ শতাংশ মানুষ আর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরকে সমর্থন করছেন ১৯ শতাংশ মানুষ।

সমস্যা কোথায়
রাজ্যের প্রায় ৪৯ শতাংশ মানুষ বেকারত্বকে রাজ্যের প্রধান সমস্যা বলেই মনে করছেন, এবিপি- সি ভোটারের সমীক্ষায় এমনটাই উঠে এসেছে। অন্যদিকে রাজ্যের প্রায় ১৪ শতাংশ মানুষ মনে করেন রাস্তা ও জলের দিকে সরকারের নজর দেওয়া উচিত। সরকারি কাজে দুর্নীতিকে সমস্যা বলে মনে করছেন প্রায় ৭ শতাংশ মানুষ। এছাড়াও মুদ্রাস্ফীতি এবং .কৃষকদের দুর্দশার বিষয়টিও জনগণের অন্য সমস্যার মধ্যে রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications