লাদাখ, জম্মু- কাশ্মীরের তাপমাত্রা শীর্ষে, সমীক্ষা থেকে কোন ভয়ঙ্কর কথা থেকে উঠে এল!

উচ্চ তাপমাত্রার সম্ভাবনা রয়েছে লাদাখে

বৃহস্পতিবার সরকারের দেওয়া একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৩০, ২০৫০,২০৮৫ সালে উচ্চ তাপমাত্রার সম্ভাবনা রয়েছে লাদাখ, জম্মু - কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডে।

সমীক্ষা কারা করলেন

সমীক্ষা কারা করলেন

'ভারতীয় বনাঞ্চলে জলবায়ু' পরিবর্তনের জায়গা গুলিতে সমীক্ষা করা হয়েছে। দ্য ফরেস্ট সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (FSI) , বিড়লা ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্স (BITS), পিলানি গোয়ার সহযোগিতায় এই সমীক্ষাটি করা হয়।

২০২১ সাল অনুসারে ইন্ডিয়া স্টেট অফ ফরেস্টস রিপোর্ট (ISFR) রিপোর্ট সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে সবকিছুই কম্পিউটার ভিত্তিক। ২০৩০, ২০৫০, ২০৮৫ সালে আর এর সাহায্যেই মডেল-ভিত্তিক তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের ডেটা ব্যবহার করা হবে। যা দেশের বনভূমির উপর জলবায়ুর পরিবর্তন নির্ভর করবে তা জানা যাবে।

 কোন কোন জায়গায় উচ্চ তাপমাত্রার সম্ভাবনা রয়েছে

কোন কোন জায়গায় উচ্চ তাপমাত্রার সম্ভাবনা রয়েছে

আর এই সময়েই উচ্চ তাপমাত্রার এক বিরাট সম্ভাবনা রয়েছে লাদাখ, জম্মু কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে। কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রী ভূপেন্দর যাদবের প্রকাশিত ডেটা থেকে জানা গিয়েছে, তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশে তাপমাত্রার বৃদ্ধি সবচেয়ে কম হবে। সেই সঙ্গে আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, পশ্চিমবঙ্গ, গোয়া, তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশে তাপমাত্রা সবচেয়ে কম হবে।

পাশাপাশি এও জানানো হয়, ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্য ও উচ্চ উপকূলে সর্বোচ্চ পরিমাণে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তর-পূর্ব রাজ্যের বেশ কিছু অংশে সর্বনিম্ন বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে বৃষ্টি হ্রাসের সম্ভাবনা রয়েছে অরুণাচল প্রদেশ, সিকিম, লাদাখ, জম্মু- কাশ্মীর ও হিমাচল প্রদেশে।

 প্রতিবেদনে কী বলা আছে

প্রতিবেদনে কী বলা আছে

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিবেশ রক্ষায় যে কর্তব্যগুলি করার শপথ নেওয়া হয়েছে তা শেষ করার ক্ষেত্রে ২০৩০ হল সবচেয়ে কাছের ডেডলাইন বা টাইমলাইন। ২০৫০ হল মধ্যবর্তী এবং ২০৮৫ হল দূরবর্তী টাইমলাইন বা ডেডলাইন। বিশ্বজুড়ে ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে বায়ুমণ্ডলীয় তাপমাত্রা। এর জন্য দায়ী বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইড ও গ্রিনহাউসে গ্যাসের মাত্রা বৃদ্ধি। আর এই ধরনের ঘটনাগুলি বাস্তুতন্ত্র এবং প্রয়োজনীয় জৈবিক প্রক্রিয়াগুলিকে প্রভাবিত করছে। আর এই অস্বাভাবিক ঘটনাগুলির জন্য জলবায়ুর পরিবর্তন ঘটচ্ছে। যার জন্য সবচেয়ে খারাপ প্রভাব পড়ছে কৃষিতে।

IPCC রিপোর্ট জানাচ্ছে

IPCC রিপোর্ট জানাচ্ছে

IPCC রিপোর্ট অনুসারে জানা গিয়েছে, গড়ে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের থেকে বেড়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের একটা বিরাট ভূমিকা পালন করে বনভূমি।

 আগে কত কার্বন মজুত ছিল

আগে কত কার্বন মজুত ছিল

২০৩০ সালে গাছ কাটার ফলে ২.৫ বিলিয়ন থেকে ৩ বিলিয়ন টন কার্বন ডাই অক্সাইড দেশে বেড়ে যাবে। যার জন্য সেসময় তৈরি করতে হবে কার্বন সিঙ্ক। মূল্যায়নের ভিত্তিতে বলা হয়েছে,৭,২০৪ মিলিয়ন টন কার্বন মজুত রাখতে। ২০১৯ সালে কার্বন মজুদ ছিল ৭৯.৪ মিলিয়ন টন।

 বর্তমানে কত কার্বন মজুত রাখতে হবে

বর্তমানে কত কার্বন মজুত রাখতে হবে

বর্তমানে অরুণাচল প্রদেশে সর্বাধিক স্টকে কার্বন রয়েছে ১০২৩.৮৪ মিলিয়ন টন, মধ্যপ্রদেশে রয়েছে ৬০৯.২৫ মিলিয়ন টন, ছত্তিশগড়ের রয়েছে ৪৯৬.৪৪ মিলিয়ন টন এবং মহারাষ্ট্রে রয়েছে ৪৫১.৬১ মিলিয়ন টন।

 হেক্টর প্রতিতে হিসাব থেকে কী জানা গেল

হেক্টর প্রতিতে হিসাব থেকে কী জানা গেল


যদি হেক্টর প্রতিতে হিসাব করা হয়, তাহলে দেখা যাবে,জম্মু - কাশ্মীররে ১৭৩.৪১ টন কার্বন স্টক রয়েছে। হিমাচল প্রদেশে ১৬৭.১০ টন, সিকিমে ১৬৬.২৪ টন এবং আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে রয়েছে ১৬৬.২৪ টন।

জানা গিয়েছে, গত ৫ টি দ্বিবার্ষিক মূল্যায়নে, ২০১১ সালের কার্বন স্টক ছিল ৬,৬৬৩ মিলিয়ন টন, যা থেকে বেড়ে হয়েছে ৭,২০৪ মিলিয়ন টন। বলা বাহুল্য, ২০১১ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ৫৪১ মিলিয়ন টন বৃদ্ধি পাবে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+