করমণ্ডল এক্সপ্রেস ট্রেন দুর্ঘটনা: চালু হল হেল্পলাইন নম্বর, যাত্রীদের জন্য কন্ট্রোলরুমও
করমণ্ডল এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত হয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে গেল ওড়িশার বালাসোরে। এই দুর্ঘটনার পরই চালু করা হয়েছে হেল্পলাইন নম্বর। বালেশ্বরে চালু হল কন্ট্রোলরুমও। হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে হাওড়া, শালিমার, খড়গপুর, বালেশ্বর ডিভিশনে।
ভয়াবহ এই ট্রেন ঘটনার পর চালু করা হেল্পলাইন নম্বর গুলি নিম্নরূপ। হাওড়া ডিভিশনের যাত্রীদের জন্য হেল্পলাইন- 03326382217, খড়্গপুর ডিভিশনের যাত্রীদের জন্য হেল্পলাইন- 8972073925 ও 9332392339। বালেশ্বর ডিভিশনের হেল্পলাইন- ৮২৪৯৫৯১৫৫৯ ও 7978418322 এবং শালিমার ডিভিশনের জন্য 9903370746।

এছাড়া দুর্ঘটনাগ্রস্ত যাত্রীদের জন্য চালু করা কন্ট্রোলরুমের নম্বর হল 6782262286। যেকোনো সাহায্যের জন্য এই নম্বরে ফোন করা যাবে। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের উচ্চ পদস্ত আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। মালগাড়ি ও এক্সপ্রেস ট্রেনটি কোনোভাবে একই লাইনে চলে আসায় বিপত্তি ঘটে। পাশের লাইনে থাকা যশবন্তপুর এক্সপ্রেসও লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে অভিঘাতের কারণে।
শুক্রবার দুপুর ৭টা ১৫ মিনিট নাগাদ করমণ্ডল এক্সপ্রেস বাহানাগা রেলওয়ে স্টেশনের কাছে দুর্ঘটনায় পড়ার পর তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। বেশ কয়েকটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে রওনা হয়েছে। করমণ্ডল এক্সপ্রেসের ১৮টি কোচ লাইনচ্যুত হয়েছে বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ের সিপিআরও।

তিনি আরও জানান, ওড়িশায় মালগাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি ধাক্কায় লাইনচ্যুত হয়ে আপ করমণ্ডল এক্সপ্রেসের বেশ কয়েকটি বগি। এদিন বালেশ্বর জেলার বাহানগা বাজারের কাছে লাইনচ্যুত হয় ওই ট্রেন। ঘটনায় কয়েকজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। মৃতের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। আহত হয়েছেন তিন শতাধিক যাত্রী।
দক্ষিণ-পূর্ব রেল সূত্রে জানানো হয়েছে এই ট্রেন দুর্ঘটনার জেরে পুরীগামী বহু ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। হাওড়ার শালিমার থেকে ছেড়ে আসা করমণ্ডল এক্সপ্রেস ওড়িশার বালেশ্বরের কাছে মালগাড়ির সঙ্গে সংঘর্ষে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। করমণ্ডল এক্সপ্রেসে বাংলা থেকে প্রচুর মানুষ ভেলোরে চিকিৎসার জন্য যান। ফলে এ রাজ্যেরও বহু মানুষ ওই ট্রেনে রয়েছেন বলে আশঙ্কা। হেল্পলাইন নম্বরে মানুষের উৎকন্ঠা বাড়ছে।

দক্ষিণ রেলসূত্রে আরও জানানো হয়েছে এনডিআরএফের প্রথম দল ২২ জন সদস্যকে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। ৩২ জনের একটি উদ্ধারকারী দলও পৌঁছেছে ঘটনাস্থলে। ৪৭ জন আহতকে বালেশ্বরের মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ১৩২ জন আহতকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে সোরো, গোপালপুর ও ক্ষান্তপদ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। ওড়িশা সরকারও তৎপরতার সঙ্গে উদ্ধার ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে।
ছবি সৌজন্য: এএনআই












Click it and Unblock the Notifications