Heavy Rain: বানভাসি হিমাচলে মৃত্যু বেড়ে ৪১, উত্তরখণ্ডে ভূমিধসে ভেঙে পড়ছে ভবন
অতি বৃষ্টিতে ভাসছে উত্তর ভারত। ফের প্রকৃতির রোষে হিমাচল ও উত্তরাখণ্ড। হিমাচলে বৃষ্টির প্রকোপে হড়পা বানে ভেসে যাচ্ছে সব। এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৪১ জনের। আর উত্তরাখণ্ডে শুরু হয়েছে প্রবল ভূমিধস। ভূমিঝসের ফলে ভেঙে পড়েছে আস্ত সব ভবন।
হিমাচল ও উত্তরখণ্ডে বেশ কয়েকটি নদী উত্তাল হয়ে উঠেছে। এমই পরিস্থিতি রাজ্যের একাধিক জেলা বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। হড়পা বানে ভেসে যাচ্ছে সব। দুই রাজ্যের একাধিক জেলায় স্কুল-কলেজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অবিরাম বৃষ্টির জেবে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা পুরোপুরি বিধ্বস্ত।

হিমাচল প্রদেশে বৃষ্টি সম্পর্কিত ঘটনায় ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দুর সিং সুখু। তারপর রাজ্যে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে উত্তরখণ্ডেও প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। শুরু হয়েছে ভূমিধস। ভেসে গিয়েছে ব্রিজ। নদীতে জলস্তর হু-হু করে বাড়ছে।
মান্ডিতে সোমবার সকালে হঠাৎই হড়পা বান তৈরি হয় ভয়াবহ পরিস্থিতি। সম্বল, পান্ডোহ থেকে মান্ডি জেলা ভাসতে থাকে বন্যায়। সাত জন এই হড়পা বানে ভেসে যায়। ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি মোকাবিলায় সক্রিয় হয়ে উদ্ধার, অনুসন্ধান ও ত্রাণ কার্যক্রম চালাচ্ছে প্রশাসন।
মান্ডি জেলার সেঘলি পঞ্চায়েতে রবিবার গভীর রাতে ভূমিধসে দু-বছরের শিশুসহ এক পরিবারের সাত সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। সোলান জেলার আর একটি ঘটনায় বজ্রপাতের ফলে এক পরিবারের সাত সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। সোলান বিভাগের কমিশনার মনমোহন শর্মা জানিয়েছেন, এই এলাকায় দুটি বাড়ি ও একটি গোযালঘর ভেসে গিয়েছে। তবে ৬ জনকে উদ্ধার করা সম্ভবপর হয়েছে।
সিমলায় প্রবল বৃষ্টির কারণে সোমবার একটি শিবমন্দির ধসে অন্তত ৯ জন মারা গিয়েছেন। সামার হিল এলাকায় মন্দিরে ভূমিঝসে কয়েক ডজন লোক আটকে পড়েছে। রাজ্য পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী উদ্ধার কার্যে নেমেছে। তারা দুর্গতদের নিরাপদ এলাকায় উদ্ধার করে আনার কাজ চালাচ্ছেন। ভূমিধসের কারণে মোট ৭৫০টিরও বেশি রাস্তা বন্ধ হয়েছে গিয়েছে।

সোলান জেলার বালেরা পঞ্চায়েত ভূমিধসে বাড়ি ভেঙে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রামশেহের বনাল গ্রামে ভূমিধসের কারণের এক মহিলার মৃত্যু হয়েছে। হামিরপুর জেলা অবিরাম বর্ষণে তিনজন মারা গিয়েছেন, দুজন নিখোঁজ। দুদিনের অবিরাম বর্ণে বিয়াস নদী ও তার উপনদী বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে।
আর উত্তরাখণ্ডে অবিরাম বৃষ্টির কারণে জাতীয় মহাসড়কসহ বিভিন্ন রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছেতেহররি কুঞ্জপুরিতে ঋষিকেশ-চাম্বা জাতীয় মহাসড়ক অবরুদ্ধ। হরিদ্বারে গঙ্গা বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। চামোলিতে পিন্ডার ও মন্দাকিনী নদীর জলের স্তরও ঊর্ধ্বমুখী।
একটি মোটর সেতু ও একটি ঝুলন্ত সেতু ভেসে গিয়েছে। হো ও মালান সুখরু নদীর তীরে বেশ কয়েকটি বাড়ি ভেসে গিয়েছে। দেরাদুন ও নৈনিতাল-সহ রাজ্যের ৬টি জেলায় ভারী বৃষ্টির জন্য লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই রাজ্যে বর্ষার মরসুমে অতিবৃষ্টির কারণে এখন পর্য্ত ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবার।












Click it and Unblock the Notifications