ঠাণ্ডা থেকে ভগবানকে নিরাপদে রাখতে অযোধ্যার মন্দিরে হিটার, রাম লল্লাকে মুড়ে দেওয়া হল কম্বলে
ঠাণ্ডা থেকে ভগবানকে নিরাপদে রাখতে অযোধ্যার মন্দিরে হিটার, রাম লল্লাকে মুড়ে দেওয়া হল কম্বলে
দেশে শীতের প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে উত্তরপ্রদেশের পারদ ক্রমেই কমছে। অযোধ্যার পুরোহিত ও কর্তৃপক্ষ অস্থায়ী মন্দিরে রাখা 'রাম লল্লা’ এবং ভগবানের ভাইদের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করার জন্য যত্ন নিচ্ছেন। তাঁরা মন্দিরের ভেতর হিটার লাগিয়েছেন এবং ভগবানদের কম্বলে মুড়ে রেখেছেন।

বাবরি মসজিদ ভাঙচুরের ঘটনার পর থেকে এ ধরনের বন্দোবস্ত দ্বিতীয়বার করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত নভেম্বরে অযোধ্যা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায় ঘোষণার পর এ বছর ভগবান রামের জন্য এ ধরনের আয়োজন করা অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে। এ বছর এর জন্য কোনও কাগজপত্র বা অনুমতির প্রয়োজন হয়নি। গত বছর, একই ধরনের বন্দোবস্ত করা হয়েছিল স্থানীয় হিন্দু ধর্মের নেতাদের পক্ষ থেকে, এঁদের সঙ্গে ছিলেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সদস্য, অযোধ্যা কমিশনারের কাছ থেকে অনুরোধ করার পরই এই বন্দোবস্ত করা হয় রাম লল্লার জন্য।
সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের আগে মন্দিরের দায়িত্বে ছিলেন কমিশনার। রাম লল্লা মন্দিরের প্রধান পুরোহিত মহন্ত সত্যেন্দ্র দাস বলেন, 'অস্থায়ী মন্দিরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমরা ব্লোয়ার হিটার লাগিয়েছি এবং আমাদের ভগবান এই ঠাণ্ডায় ভুক্তভোগী হবেন না। এর সঙ্গে, আমাদের ভগবানদের গরম পোশাক ও কম্বরে মুড়ে রাখা হয়েছে। এর আগে আমরা ভেবেছিলাম যে আগুন জ্বানালোর ব্যবস্থা করব কিন্তু অস্থায়ী মন্দির কাঠ ও গ্লাস দিয়ে তৈরি। তাই ওটা করা নিরাপদ নয়। যতদিন শীতকাল থাকবে ততদিন এই ব্যবস্থা থাকবে এখানে এবং এগুলি ছাড়াও ভগবানকে আর কীভাবে স্বাচ্ছন্দ্য ও আরাম দেওয়া যায়,তার চিন্তাভাবনা চলছে।’
গরমে রাম লল্লা সহ অন্যান্য ভগবানরা যাতে কষ্ট না পান তার জন্য এসি লাগানো রয়েছে মন্দিরে। একই ধরনের বন্দোবস্ত অযোধ্যার প্রত্যেকটি মন্দিরই দু’টি মরশুমের জন্যই করে রাখা হয়। রাম জন্মভূমি সাইট থেকে প্রায় ১০০ মিটার দূরে অবস্থিত অস্থায়ী মন্দিরটি। যেখানে রয়েছেন, রাম লল্লা, তাঁর ভাই লক্ষ্মণ, ভরত ও শত্রুঘ্ন। এছাড়াও রয়েছেন হনুমান জি, ভগবান শালিগ্রাম, যার প্রতিনিধি হিসাবে রয়েছে কালো পাথর, এই দুই ভগবান দু’টি ভিন্ন জায়গায় রয়েছে। ১৫ ডিসেম্বর থেকে রাম মন্দির নির্মাণ হওয়ার কথা রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications