বিচারক নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ, খালেদার মামলার শুনানি শুরু

জিয়া অরফেনেজ ট্রাস্ট এবং জিয়াউর রহমান চ্যারিটেবল ট্রাস্টের অর্থ তছরুপের দায়ে দু'টি পৃথক মামলা রুজু হয়েছে। বিচার হওয়ার কথা ছিল বিশেষ আদালতে। কিন্তু খালেদা জিয়া অভিযোগ করেন, ওই আদালতের বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে আইন মেনে কাজ হয়নি। কারণ এ ধরনের আদালতে বিচারক নিয়োগ করার জন্য গেজেট নোটিফিকেশন জারি করতে হয়। এক্ষেত্রে তা করা হয়নি। তাই বিচারক নিয়োগকে 'অবৈধ' ঘোষণা করার জন্য আবেদন জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী আসাদুজ্জামান। তিনি হাইকোর্টে আরও আবেদন করেছেন, যতদিন না বিচারকের বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছনো সম্ভব হচ্ছে, ততদিন দুই দুর্নীতি মামলায় আইনি প্রক্রিয়া বন্ধ থাকুক।
প্রসঙ্গত, এই দুই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ২১ মে দিন ধার্য করা হয়েছে। এর আগেও চার্জ গঠনের আদেশ বাতিল করার সুপারিশ করে ১৩ এপ্রিল হাইকোর্টে রিভিউ পিটিশন দাখিল করেছিলেন খালেদা জিয়া। ১৬, ১৭ এবং ২০ এপ্রিল শুনানির শেষে ২৩ এপ্রিল সেই আবেদন খারিজ করে দেন বিচারপতি বোরহানউদ্দিন এবং বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের ডিভিশন বেঞ্চ। এর ফলে তখন মামলা প্রক্রিয়া চলা নিয়ে কোনও প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়নি।
গত ৭ মে বিচার মন্ত্রণালয়ের একটি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দুই দুর্নীতি মামলার কার্যপ্রক্রিয়া ঢাকা মেট্রোপলিটান দায়রা বিচারক আদালত ভবনের পরিবর্তে বক্সিবাজার এলাকার সরকারি আলি মাদ্রাসা ও ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার সংলগ্ন মাঠে নির্মিত অস্থায়ী আদালত ভবনে অনুষ্ঠিত হবে।
দুই দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়া বারবার আক্রমণ শানিয়েছেন শাসক দল আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে। বলেছেন, প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই এ সব করছে আওয়ামী লীগ। যদিও তারা এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, আইন আইনের পথে চলছে। এক্ষেত্রে দলের কিছু করণীয় নেই।












Click it and Unblock the Notifications