শিশুদের কি মাস্ক বাধ্যতামূলক? স্টেরয়েড প্রয়োজন করোনা চিকিৎসায়? কি বলছে সরকার জানুন
শিশুদের কি মাস্ক বাধ্যতামূলক? স্টেরয়েড প্রয়োজন করোনা চিকিৎসায়? কি বলছে সরকার জানুন
১৮ বছরের নীচে যারা তাদের কোভিড–বিধির ক্ষেত্রে নির্দেশিকায় বদল আনা হল সরকারের পক্ষ থেকে। পুরনো কিছু নিয়মও বদলের পাশাপাশি নতুন কিছু নিয়ম নিয়ে আসা হয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল পাঁচ বছর বা তার নীচে শিশুদের মাস্ক পরানো বাধ্যতামূলক নয়।

কোন বয়সের শিশুরা মাস্ক পরবে
স্বাস্থ্য মন্ত্রকের নতুন এই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে যে ৬-১১ বছর বয়সী শিশুরা মাস্ক পরবে কিনা তা ঠিক করবে তাদের অভিভাবকরাই। তবে ১২ বছর ও তার ঊর্ধ্বে থাকা বয়সের জনগোষ্ঠীদের প্রাপ্তবয়স্কদের মতোই নিয়ম মেনে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। ছোটরা যারা মাস্ক পরবে, তাদের ক্ষেত্রে সাবান ও জল দিয়ে হাত ধোয়া অথবা অ্যালকোহল-যুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার বাধ্যতামূলক।

অ্যান্টিবডি ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা
বৃহস্পতিবার ঘোষণা হওয়া স্বাস্থ্য মন্ত্রকের নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, ১৮ বছরের কম বয়সীদের করোনা ভাইরাসের চিকিৎসায় অ্যান্টিভাইরাল বা মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। কোভিড বাড়াবাড়ি জায়গায় গেলেও এই ওষুধের প্রয়োগ হবে না বলে জানানো হয়েছে। স্টেরয়েড প্রয়োগ করা হলেও ধীরে ধীরে তার মাত্রা ১০ থেকে ১৪দিনের মধ্যে কমাতে হবে বলেও নির্দেশিকায় বলা হয়েছে।

কোভিড–১৯ বিশেষজ্ঞদের বৈঠক
ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে বৃহস্পতিবারই নির্দেশিকা সংশোধন করার জন্য বৈঠকে বসেছিলেন কোভিড বিশেষজ্ঞরা। আর তারপরই এই সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। এখানে উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন এখন ভ্যারিয়েন্ট অফ কনসার্নে পরিণত হয়েছে। যদিও অন্যান্য দেশ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টকে কম ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে দেখা হচ্ছে। তবে মন্ত্রক জানিয়েছে যে যদিও সতর্ক থাকা প্রয়োজনীয়তা রয়েছে কারণ বর্তমান ওয়েভ বিবর্তি হতে পারে। এই ভ্যারিয়েন্ট উপসর্গবিহীন, হালকা, মাঝারি এবং গুরুতর হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে।

চিকিৎসায় অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল নয়
মন্ত্রকের নির্দেশিকা অনুযায়ী, কোভিড-১৯ একটি ভাইরাল সংক্রমণ এবং তীব্র কোভিড-১৯ সংক্রমণ পরিচালনায় অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালের কোনো ভূমিকা নেই। উপসর্গহীন বা হালকা উপসর্গের কেসে চিকিৎসার জন্য অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালের প্রয়োজনীয়তা নেই। মাঝারি ও গুরুতর কেসের ক্ষেত্রেও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল চিকিৎসায় প্রয়োজন নেই।

উপসর্গহীন ও মৃদু কেসে স্টেরয়েড নয়
নির্দেশিকায় স্টেরয়েডের কথা উল্লেখ করা হয়নি এবং কোভিড-১৯ উপসর্গহীন ও হালকা কেসের ক্ষেত্রে এটি ক্ষতিকারক। তবে হাসপাতালে ভর্তি কোভিড-১৯-এর গুরুতর ও জটিল রোগীর ক্ষেত্রে স্টেরয়েড ব্যবহার করা যেতে পারে তবে তা সঠিক সময় মেনে, সঠিক ডোজ দিতে হবে।

চিকিৎসায় স্টেরয়েড ব্যবহার কখন করা হবে
নির্দেশিকাতে বলা হয়েছে, কর্টিকোস্টেরয়েডগুলি দ্রুত উন্নতিশীল তাই মাঝারি এবং সমস্ত গুরুতর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে। যেমন ডেক্সামেথাসোন ০.১৫ মিলিগ্রাম/কেজি, সর্বোচ্চ ডোজ ছয় মিলিগ্রাম দিনে একবার বা মিথাইলপ্রেডনিসোলন ০.৭৫ মিলিগ্রাম/কেজি, সর্বোচ্চ ডোজ ৩০ মিলিগ্রাম দিনে একবার। প্রতিদিনের ক্লিনিক্যাল মূল্যায়নের উপর নির্ভর করে এগুলি পাঁচ থেকে সাত দিনের জন্য অব্যাহত রাখা যেতে পারে এবং ১০-১৪ দিনের মধ্যে কমানো যেতে পারে। নির্দেশিকায় এও বলা হয়েছে যে প্রথম তিন থেকে পাঁচদিন স্টেরয়েড ব্যবহার করা এড়ানো যেতে পারে।

শিশুদের চিকিৎসা সম্বন্ধীয় তথ্য
মন্ত্রকের পক্ষ থেকে এও বলা হয়েছে যেহেতু শিশুদের অ্যান্টিকোয়াগুলেন্টস সচরাচর দেওয়া হয় না, তাই হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুদের থ্রম্বোসিসের সমস্যা হচ্ছে কি না, তা নজরে রাখতে হবে চিকিৎসকদের।

বিশেষ যত্ন নিতে হবে শিশুদের
এছাড়াও নির্দেশিকায় কোভিড আক্রান্ত শিশুদের বিশেষ যত্ন নেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। যে সব শিশুদের উপসর্গ দেখা দিচ্ছে না , চিকিৎসকের পরামর্শে তাদের স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখতে হবে। যে সমস্ত শিশুদের শ্বাসের সমস্যা হয়েছে, যাদের কোভিড মাঝারি থেকে তীব্র আকার নিয়েছিল, তাদের প্রতি ভালো করে লক্ষ্য রাখতে হবে। দরকারে আবার হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে। হাসপাতালে ভর্তি থাকাকালীন যাদের কোভিডের কারণে কোনও অঙ্গে সমস্যা হয়েছে, তাদের দিকেও বিশেষ করে নজর দিতে হবে।
তবে কেন্দ্র সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে এই নির্দেশিকাগুলি গতিশীল এবং নতুন প্রমাণের প্রাপ্যতার ভিত্তিতে পর্যালোচনা এবং সংশোধন করা হবে।
-
আরও একটি সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন, আর কত নাম নিষ্পত্তি হওয়া বাকি? -
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই বড় রদবদল! মার্কিন সেনা প্রধানকে সরাল ট্রাম্প প্রশাসন, কারণ কী, জল্পনা তুঙ্গে -
আরও একটি মার্কিন F-35 যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ইরানের, কী বলছে আমেরিকা? -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
এপ্রিলেই বাড়ছে গরমের দাপট! আগামী সপ্তাহেই ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার আশঙ্কা, কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস -
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের প্রভাব! শিল্পে ধাক্কা, একলাফে বাড়ল ডিজেলের দাম, কত হল? জানুন -
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ভোটের আগে তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে ইডির তলব -
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ! MRI Scan-এর খরচ আকাশছোঁয়া হতে পারে, বিপাকে পড়তে পারেন রোগীরা -
অমিত শাহের রাজ্যে থাকার ঘোষণায় তীব্র কটাক্ষ মমতার, বললেন, যত বেশি থাকবে, তত ভোট কমবে












Click it and Unblock the Notifications