ইন্দিরার পর মহিলা প্রধানমন্ত্রী হোন মমতা, রাহুলের পর দেবেগৌড়ারও সমর্থন-বার্তা
আগে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী বলেছিলেন। এবার বললেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবেগৌড়া। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী ঐক্যের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী করা হলে তাঁর কোনও আপত্তি।
আগে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী বলেছিলেন। এবার বললেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবেগৌড়া। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী ঐক্যের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী করা হলে তাঁর কোনও আপত্তি নেই বলে সাফ জানিয়ে দিলেন কর্ণাটকের বর্ষীয়ান জেডিএস নেতা। রাহুলের মতো তিনিও সুর চড়ালেন মহিলা মুখকে সামনে আনার ব্যাপারে।

কর্ণাটকে কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার চালাচ্ছে কংগ্রেস। বিজেপিকে রুখতে তাঁরা পথ দেখিয়েছেন বিরোধীদের এক করতে। এই আঙ্গিকে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে বিজেপি বিরোধী জোট গড়ে তোলার উদ্যোগ। আর এই উদ্যোগে প্রধান কাণ্ডারি হয়েছেন রাহুল গান্ধী। সেই রাহুল গান্ধীই প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হয়ে ভাসিয়ে দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা মায়াবতীর নাম।
এখন আবার কংগ্রেসের কর্ণাটকের জোটসঙ্গী জেডিএস সুপ্রিমো দেবেগৌড়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে গলা ফাটালেন। তিনি বলেন, এটা ঠিক যে ২০১৯-এর নির্বাচনের আগে বিরোধী দলগুলিকে একজোট করতে বিশেষ ভূমিকা নিতে হবে কংগ্রেসকেই। তবু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও আপ্রাণ চেষ্টা করছেন বিজেপি-বিরোধী জোটগুলিকে এক জায়গায় করতে।
তারপর দেশের প্রধানমন্ত্রী সবসময় যে পুরুষদের হতে হবে তার কোনও মানে নেই। প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ১৭ বছর দেশ চালিয়েছেন। তারপর আর কোনও মহিলা প্রধানমন্ত্রী হননি। এবার যদি কোনও মহিলা প্রধানমন্ত্রী হন তা দেশের পক্ষে মঙ্গলজনকই হবে। তাই মমতা বা মায়াবতী প্রধানমন্ত্রী হলে তাঁর কোনও আপত্তি নেই।
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এদিন অসমে জাতীয় নাগরিক পঞ্জির খসড়া তালিকা প্রকাশ নিয়েও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবস্থানকে সমর্থন করেন। এনআরসির বিরোধিতায় তিনি অন্য দলগুলিকেও পাশে চাইছেন। বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট গড়ে লড়তে চাইছেন। তিনি এ বিষয়ে সমর্থন জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।












Click it and Unblock the Notifications