হাথরাসকাণ্ডে ময়না তদন্তে মিলল নির্যাতিতার মেরুদণ্ড ভাঙার প্রমাণ! কিন্তু যোগীর পুলিশের কণ্ঠে কোন সুর
শুধু ধর্ষণই হয়নি, তার সঙ্গে চলেছে নারকীয় অত্যাচার। উত্তরপ্রদেশের বুকে হাথরাসে দলিত কন্যার উপর গণধর্ষণ ঘিরে গোটা দেশ উত্তাল। এদিকে, শেষবার মেয়ের মুখ দেখতে না পেয়ে আর্তনাদ যেন থামছে না হাথরাসের নির্যাতিতা দলিতকন্যার পরিবারে। ধর্ষণের পর মৃত্যুরর সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই করেও শেষমেশ মৃত্যুর কোলো ঢোলে পড়েন ওই তরুণী। এদিকে গ্রামে মরদেহ ঢুকতেই ২ ঘণ্টার মধ্যে দেহ সৎকার হয়। এমন পরিস্থিতিতে নির্যাতিতার পরিবার সহ গোটা হাথরাস ফুঁসছে পুলিশের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আজ প্রকাশ্যে এসেছে। দেখে নেওয়া যাক , হাথরস কাণ্ডে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর পুলিশের কী বক্তব্য।

গলায় ফাঁস বেঁধে... কোন কোন প্রমাণ মিলল?
উল্লেখ্য, হাথরস কাণ্ডে দিল্লির সফদরজং হাসপাতাল থেকে এদিন ময়না তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে জানানো হয়েছে, নির্যাতিতাকে গলায় ফাঁস বাঁধার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে গলায় ফাঁস বেঁধে তাঁর মৃত্যু হয়নি। অন্যদিকে , নির্যাতিতার মেরুদণ্ড ভাঙা হয়েছে বলে উঠে এসেছে রিপোর্টে।

কী কারণে মৃত্যু?
ময়না তদন্তের পর হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, যে মৃত্যুর কারণ ভিসেরার রাসায়নিক পরীক্ষার পরই জানা যাবে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে নির্যাতিতার ভিসেরা সংরক্ষণ করা হয়েছে, আর বহু নমুনা তদন্তের স্বার্থে সংরক্ষিত রয়েছে।

যোগী রাজ্যের পুলিশ কী বলছে?
এদিকে, যোগী রাজ্যের পুলিশ বলছে, আলিগড় হাসপাতালের মেডিক্যাল রিপোর্ট নির্যাতিতার দেহে আঘাতের চিহ্নের কথা বললেও, এটা থেকে এমন নিশ্চিত করা যাচ্ছেনা যে যৌন অত্যাচার হয়েছে হাথরসের নির্যাতিতার।

ধর্ষণ কি না নিশ্চিত নয়!
পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে তারা ফরেন্সিক রিপোর্টের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। কারণ পুলিশের দাবি, এখনও পর্যন্ত চিকিৎসকরা এই ঘটনা ধর্ষণ কী না তা নিশ্চিত করেননি। আরও তদন্ত বাকি বলেও জানিয়েছেন, যোগী রাজ্যের পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দলের এসপি বিক্রান্ত বীর।












Click it and Unblock the Notifications