বিদ্বেষমূলক মন্তব্যে স্বস্তি পেলেন আজম খান! বেকসুর খালাস ঘোষণা করল আদালত
বিদ্বেষমূলক এবং ঘৃণাভাষণ মামলায় স্বস্তি পেলেন আজম খান! রামপুর স্পেশাল আদালতে আজ বুধবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল। আর সেই মামলার শুনানিতে সমাজবাদী নেতাকে নির্দোষ ঘোষণা করে। যদিও বিদ্বেষমূলক এবং ঘৃণাভাষণ মামলায় আজম খানকে তিন বছরের কারাদন্ডের নির্দেশ শোনায়।
যার জেরে তাঁকে বিধায়ক পদ পর্যন্ত খোয়াতে হয়। অবশেষে এই মামলায় স্বস্তি পেলেন সমাজবাদী নেতা। তবে বিধায়ক পদ ফের ফিরে পাবেন কিনা তা নিয়ে একটা জল্পনা তৈরি হয়েছে। বলে রাখা প্রয়োজন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং যোগী আদিত্যনাথের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক এবং ঘৃণাভাষণ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে আজম খানের বিরুদ্ধে। ২০১৯ সালের সেই ঘটনায় তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে নিম্ন আদালত। ২০২২ সালের ২৭ অক্টোবর এমপি-এমএলএ স্পেশাল কোর্ট আজম খানকে দোষী সাব্যস্ত করে।

আর এরপরেই তিন বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ শোনায় আদালত। আর এরপরেই বিধায়ক পদ চলে যায় সপা নেতার। যদিও পরে এহেন নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে রামপুর কোর্টে আবেদন করেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি চলে। অবশেষে আজ বুধবার সেই মামলার রায় ঘোষণা করল আদালত। আর তাতে সমাজবাদী নেতাকে নির্দোষ ঘোষণা করা হয়েছে। যা অবশ্যই সমাজবাদী পার্টির কাছেও স্বস্তির বলেই মনে করা হচ্ছে।
এহেন নির্দেশ সামনে আসার পরেই আজম খানের আইনজীবী জানিয়েছেন, দেরিতে হলেও ন্যায়বিচার পাওয়া গেল। আর তাতে আমরা খুবই খুশি। যদিও অন্য একটি মামলাতে কারাদন্ডের নির্দেশ দেয় আদালত। সেই মামলা এখনও চলছে। ফলে বিধায়ক পদ পাওয়া নিয়ে এখনও জটিলতা রয়েছে।

বলে রাখা প্রয়োজন, ২০১৯ সালে রামপুর লোকসভা আসন থেকে জিতেছিলেন আজম খান। হয়েছিলেন সাংসদ। এরপর ইস্তফাও দিয়ে দেন তিনি। বিধানসভা নির্বাচনে লড়াইয়ের ময়দানে নামেন এই সপা নেতা। জেলে থেকেই নির্বাচনে লড়েন। এবং জেতেন। যদিও বিধায়ক পদ খারিজ হওয়ার পর সেখানে বিজেপি প্রার্থী যেতে। কিন্তু সেই মার্জিন খুবই কম ছিল।












Click it and Unblock the Notifications