রাহুলেই আস্থা রাখবেন মমতা! কী মত সোনিয়ার, বৈঠকের দিকে তাকিয়ে বিরোধীরা
২০১৯-এর লক্ষ্যে কেন্দ্রে মোদী বিরোধী জোট তো হবে, কিন্তু মোদী বিরোধী মুখ কে হবেন? সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন দিল্লির রাজনীতিতে।
২০১৯-এর লক্ষ্যে কেন্দ্রে মোদী বিরোধী জোট তো হবে, কিন্তু মোদী বিরোধী মুখ কে হবেন? সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন দিল্লির রাজনীতিতে। সেই মুখের খোঁজেই এবার তাকিয়ে রয়েছেন বিজেপি বিরোধী দলগুলি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি বিরোধিতায় এক মঞ্চে সবাইকে আনার মধ্যমণি। তাঁকে ঘিরেই আবর্ত হচ্ছে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলি।

কিন্তু তিনিই কি মুখ হবেন। নাকি সর্বভারতীয় দল হিসেবে জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি রাহুল গান্ধীই হবেন নেতা। মোদী বিরোধী জোটের প্রধান মুখ! তা নিয়ে কিন্তু দ্বিধাবিভক্ত জোট রাজনীতিতে-আগ্রহী আঞ্চলিক দলগুলি। অনেকে চাইছে রাহুল গান্ধীই মোদী বিরোদী মুখ হওয়ার যোগ্য। এখন তিনি অনেক পরিণত।
আবার একাংশের আপত্তি রয়েছে রাহুলে। সেই কারণেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম বারে বারে উঠে আসছে। যদিও মমতা এর আগে অনেকবারই বলেছেন, তিনি দিল্লির কুর্সিতে বসতে চান না, বাসাতে চান অন্যকে। সেই অন্যজন কে? তবে কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও চান কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীই হন জোটের প্রধান মুখ! রাহুলই হন প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী!

দিল্লিতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিষ্কার করে দিয়েছেন, কংগ্রেসকে ছাড়া জোট গড়ার কোনও মূল্য নেই। তাহলে সর্বত্রই ভোট ভাগাভাগি হয়ে যাবে। আর সেই সুবিধা ভোগ করবে বিজেপি। কিন্তু এবার বিজেপিকে সেই ভোট ভাগাভাগির সুবিধা দিতে রাজি নন মমতা। তাই স্বার্থত্যাগ করতে তিনি দুবার ভাববেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন।
আবার মমতা বলেছেন, রাহুল গান্ধী তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। এসএমএসের মাধ্যমে তাঁদের নিয়মিত কথা হয় বলেও জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর ইউপিএ চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে দীনেশ ত্রিবেদীকে দায়িত্ব দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই আঙ্গিকে সেনিয়ার সঙ্গে বৈঠক বসেত চলেছেন তিনি। এই বৈঠক কেন্দ্রে বিজেপি বিরোধী জোটের আবহ তৈরি করে দেবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এই বৈঠক থেকেই বেরিয়ে আসতে পারে জোটের নেতা। আসন্ন ২০১৯-এর ভোট-যুদ্ধে মোদী বিরোধী প্রধান মুখ।












Click it and Unblock the Notifications