Haryana: পুলিশ-সেনা প্রত্যেককে নিরাপত্তা দিতে পারে না, হরিয়ানায় সংঘর্ষ নিয়ে মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রী খট্টরের
হিংসার আগুনে জ্বলছে হরিয়ানা। দফায় দফায় সংঘর্ষ শুরু হয়েছে একাধিক জায়গায়। হরিয়ানার নূহ-থেকেই সংঘর্ষের সূত্রপাত। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মিছিলে হামলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তারপরেই উত্তাল হয়ে ওঠে নূহ।
এখনও দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ইতিমধ্যেই আবারক বিতর্কিত মন্তব্য করে বসেছেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর। তিনি বলেছেন, পুলিশ বা সেনা করোর পক্ষে প্রত্যেককে নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব নয়। কোনও দেশের পক্ষেই সেটা সম্ভব নয়। নূহ-র সংঘর্ষ থামাতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। তারপরেও থামানো যাচ্ছে না হিংসা।

গত সোমবার থেকে বিশ্বহিন্দু পরিষদের মিছিলে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় নূহয়ে। সাইবার ক্রাইম থানা জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে মোবাইল ইন্টারনেট এবং মেসেজিং সিস্টেম। হরিয়ানার নূহ থেকে গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৭-এও ছড়িয়ে পড়ে সংঘর্ষের ঘটনা। পরিস্থিতি বিবেচনা করে রাজধানী দিল্লিতেও হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।
হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টর জানিয়েছেন, এর নেপথ্যে বড় কোনও ষড়যন্ত্র রয়েছে। পরিকল্পনা করেই ধর্মীয় শোভাযাত্রার উপর হামলা চালানো হয়েছে। তারপরে সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পর এক ভিডিও ছড়িয়ে পড়তে হিংসা আরও ছড়িয়ে পড়ে চারিদিকে। এখনও পর্যন্ত ১১৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে ৪১টি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। হরিয়ানারক মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন অপরাধীরা কেউ গিয়ে যদি রাজস্থানে লুকিয়ে থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারেন রাজস্থান পুলিশ।
হরিয়ানা জুড়ে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। একাধিক জায়গায় পুলিশ টহল দিচ্ছে। নামানো হয়েেছ ব়্যাফও। যাঁদের সম্পত্তি নষ্ট হয়েছে তাঁদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে হরিয়ানা সরকার। পরিস্থিতি কড়া হাতে মোকাবিলার চেষ্টা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই জেলা শাসকদের তথ্য সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications