মানবাধিকার নিয়ে খোঁচা কট্টর ভারত বিরোধী মার্কিন আইনপ্রণেতাদের! প্রশ্ন তুললেন প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতিও
মানবাধিকার নিয়ে খোঁচা কট্টর ভারত বিরোধী মার্কিন আইনপ্রণেতাদের! প্রশ্ন তুললেন প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতিও
ভারতে মানবাধিকার (Human rights) পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ আমেরিকার (USA) আইনপ্রণেতাদের। একজন সেনেটার-সহ চার আইনপ্রণেতা যে উদ্বেগপ্রকাশ করেছেন, তার সঙ্গে সহমত হয়েছেন, দেশের প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি (Vice President) হামিদ আনসারি (Hamid Ansari)। যদিও ভারত সরকার কিংবা শাসকদল বিজেপির (BJP)তরফে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

ভারত নিয়ে উদ্বেগে মার্কিন সেনেটর
এব্যাপারে আমেরিকার ডেমোক্রেটিক সেনেটর এড মার্কিকে উদ্ধৃত করে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ভারত সরকার সংখ্যালঘুদের বিশ্বাসকে নিশানা করেছে। আরও বলা হয়েছে, এমন পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে, সেখানে বৈষম্য ও হিংসার ঘটনা যে কোনও সময় ঘটতে পারে। ওই মার্কিন সেনেটর বলেছেন সাম্প্রতিক বছরগুলিতে অনলাইনে বিদ্বেষপূর্ণ বক্তৃতা এবং ঘৃণামূলক কর্মকাণ্ড বেড়েছে। এর মধ্যে মসজিদ ভাঙচুর, গির্জায় অগ্নি সংযোগ এবং সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনা রয়েছে।

ভারত বিরোধিতার ইতিহাস রয়েছে মার্কির
ভারতীয়-আমেরিকান মুসলিম কাউন্সিলের সভায় বক্তব্য রাখছিলেন মার্কি। তবে মার্কির ভারত বিরোধিতার ইতিহাস রয়েছে। প্রথম ইউপিএ সরকারের আমলে যেসব ভারত-আমেরিকা অসামরিক পারমানবিক চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছিল, সেই সময় তিনি সেই চুক্তির বিরোধিতা করেছিলেন।
আরও যে তিন আইনপ্রণেতা আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন, তাঁরা হলেন, জিম ম্যাকগভর্ন, অ্যান্ডি লেভিন এবং জেমি রাস্কিন। শুধু এড মার্কিই নয়, সবাই নতুন দিল্লিতে যে সরকারই ক্ষমতায় থাকুক না কেন, সবসময়ই ভারত-বিরোধী অবস্থান নিয়ে গিয়েছেন।
রাস্কিনকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, ভারতে ধর্মীয় কর্তৃত্ববাদ এবং বৈষম্যের ইস্যুতে অনেক সমস্যা রয়েছে। তবে ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতা, বহুত্ববাদ, সহনশীলতা এবং সবার জন্য ভিন্নমতকে সম্মান করে থাকে।

গণতন্ত্রের সূচকে নেমেছে ভারতের স্থান
অপর মার্কিন আইনপ্রণেতা অ্যান্ডি লেভিন বলেছেন বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র আজ পিছিয়ে যাচ্ছে। সেখানে মানবাধিকারের ওপরে আক্রমণ হচ্ছে, ধর্মীয় জাতীয়তাবাদ মাথা চারা দিচ্ছে। গণতন্ত্রের সূচকে ভারতের স্থান ২৭ থেকে ৫৩-তে নেমে গিয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

হিন্দু জাতীয়তাবাদ নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ আনসারির
ভার্চুয়াল এই আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন দেশের প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারি। তিনি সেখানে হিন্দু জাতীয়তাবাদের ক্রমবর্ধমান প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন বলে জানা গিয়েছে।
সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী হামিদ আনসারি বলেছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে দেশে সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদের একটা প্রবণতা লক্ষ্য করা গিয়েছে। যা দেশের নাগরিক জাতীয়তাবাদের নীতিকে বিতর্কিত করে তুলেছে। নাগরিকদের বিশ্বাসের ভিত্তিতে আলাদা করার প্রয়াস শুরু হয়েছে। সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অসহিষ্ণুতা, অস্থিরতা এবং নিরাপত্তাহীনতার বাতাবরণ।












Click it and Unblock the Notifications