শেষ পর্যন্ত আশঙ্কাই সত্যি, দল ছাড়লেন হার্দিক প্যাটেল, গুজরাত ভোটের আগে বড় ধাক্কা কংগ্রেসের
শেষ পর্যন্ত আশঙ্কাই সত্যি, দল ছাড়লেন হার্দিক প্যাটেল, গুজরাত ভোটের আগে বড় ধাক্কা কংগ্রেসের
আগামী বছর গুজরাতে বিধানসভা নির্বাচন। আর এই নির্বাচনকে পাখির চোখ করেই এগোচ্ছিল কংগ্রেস। কিন্তু সেই এগিয়ে যাওয়ার পথে বড় বাধার সৃষ্টি হল। বুধবার পাতিদার মুখ হার্দিক প্যাটেল কংগ্রেস থেকে পদত্যাগ করা মাত্রই জোর ধাক্কা খেল দল। টুইটারে এদিন তিনি তাঁর সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করে লেখেন, 'আজকে আমি কংগ্রেস দল থেকে পদত্যাগ করলাম। আণি আশা করব আমার এই সিদ্ধান্তকে আমার সহকর্মী ও গুজরাতের মানুষ স্বাগত জানাবেন।’

প্রসঙ্গত, বেশ কিছুদিন ধরেই গুজরাতের কংগ্রেস নেতৃত্বদের মধ্যে টালমাটাল পরিস্থিতি চলছে। সম্প্রতি নিজের টুইটার বায়ো থেকে 'কংগ্রেস’ শব্দটি মুছে দেন গুজরাতের নেতা হার্দিক প্যাটেল। এমনকী হার্দিক হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রামের ডেসক্রিপশন থেকেও কংগ্রেস শব্দটি অনেক আগেই মুছে দিয়েছিলেন। তবে হার্দিক যে রাজ্যের দলীয় নেতৃত্বদের ওপর ক্ষুব্ধ তা কিছুদিন আগে নিজেই স্বীকার করেছেন। হার্দিক সেই সময় বলেছিলেন, 'আমি রাহুল গান্ধী বা প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর ওপর ক্ষুব্ধ নই। রাজ্য নেতৃত্বের ওপর ক্ষুব্ধ।’
হার্দিকের মান ভঞ্জন করতে ময়দানে স্বয়ং নেমেছিলেন রাহুল গান্ধীও। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী গুজরাত কংগ্রেস কমিটির কার্যনির্বাহী সভাপতি হার্দিক প্যাটেলকে নিজে মেসেজ করেছেন বলে জানা গিয়েছিল। কিন্তু শেষ রক্ষা আর হল না। আগামী বছরের নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদীর রাজ্যে কংগ্রেস দাঁত ফোঁটাতে পারলে তাঁরা কিছুটা হলেও স্বস্তিতে থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে নির্বাচনের প্রাক্কালে দলীয় কোন্দলে জেরবার শতাব্দী প্রাচীন দল।
তবে হার্দিক কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেবেন কিনা সেটা এখনও স্পষ্ট নয়। যদিও হার্দিক নিজে কয়েকবার বিজেপি সরকারের 'প্রশংসা’ করেছেন। তবে তাঁর গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়ার বিষয়টি যে নিছকই গুজব তাও তিনি স্পষ্ট করেছেন। উল্লেখ্য, রাজ্য সংগঠনে গুরুত্ব না পেয়ে বিগত বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরেই 'বিদ্রোহ’ ঘোষণা করেছেন হার্দিক প্যাটেল।
তবে বিজেপির পাশাপাশি আম আদমি পার্টিতেও যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা প্রবল রয়েছে এই পাতিদার নেতার। গতমাসেই আম আদমি পার্টির গুজরাত রাজ্যের প্রধান গোপাল ইতালিয়া তাঁকে আপে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, হার্দিক প্যাটেল ২০১৫ সালে গুজরাতে পাতিদার সম্প্রদায়ের জন্য সংরক্ষণের দাবিতে তাঁদের আন্দোলনের নেতা হিসাবে রাজনীতিতে আসেন এবং পরে কংগ্রেসে যোগদান করেন।












Click it and Unblock the Notifications