মোরবির ব্রিজ দুর্ঘটনা নিয়ে গুজরাত হাইকোর্টের স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ! রাজ্য সরকারের কাছে রিপোর্ট তলব

গুজরাতের মোরবিতে ব্রিজ দুর্ঘটনার পরে কেটে গিয়েছে সাতদিনেরও বেশি সময়। এবার বিষয়টি নিয়ে স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ নিল গুজরাত হাইকোর্ট। আদালতের তরফে রাজ্য সরকারের স্বরাষ্ট্র দফতর, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং মানবাধিকার কমিশনের

গুজরাতের মোরবিতে ব্রিজ দুর্ঘটনার পরে কেটে গিয়েছে সাতদিনেরও বেশি সময়। এবার বিষয়টি নিয়ে স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ নিল গুজরাত হাইকোর্ট। আদালতের তরফে রাজ্য সরকারের স্বরাষ্ট্র দফতর, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং মানবাধিকার কমিশনের কাছে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যে রাজ্য সরকারের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে ১৪ নভেম্বর।

প্রধান বিচারপতির নির্দেশ

প্রধান বিচারপতির নির্দেশ

সংবাদপত্রের রিপোর্টের ওপরে ভিত্তি করে স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় গুজরাত হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি অরবিন্দ কুমার বলেছেন, মরবির ব্রিজ দুর্ঘটনা হৃদয় বিদারক ঘটনা, যেখানে বহু মানুষের মৃত্যু হয়। এব্যাপারে এখনও পর্যন্ত কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা জানতে, পুরসংস্থাকে পুরো ঘটনার বিবরণ জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে।

বরখাস্ত পুর আধিকারিক

বরখাস্ত পুর আধিকারিক

গুজরাত সরকার ইতিমধ্যে মরবি পুরসভার আধিকারিক সন্দীপ সিং জালাকে বরখাস্ত করেছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই নির্দেশ কার্যকর থাকবে। প্রসঙ্গত সন্দীপ সিং জালাকে সিট জিজ্ঞাসাবাদ করে, তারপরেই তাঁকে বরখাস্ত করা হয়। ব্রিজ দুর্ঘটনার পরের দিন অর্থাৎ ৩১ অক্টোবর সন্দীপ সিং জালা সংবাদ মাধ্যমের সামনে স্বীকার করেছিলেন রক্ষণাবেক্ষণের কাজের পরে ওই ব্রিজটিকে ফিটনেস শংসাপত্র দেওয়া হয়নি। তিনি জানিয়েছিলেন, অজন্তা ওরেভা সংস্থাকে ৭ মার্চে চুক্তির মাধ্যমে রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ছুটির দিনে সেখানে দর্শণার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়। একবারে মাত্র ২০-২৫ জনের ব্যবহারের কথা থাকলেও একদিনের মধ্যেই সেখানে অনেক লোক জড়ো হয়েছিলেন।

৩০ অক্টোবর ব্রিজ দুর্ঘটনা

৩০ অক্টোবর ব্রিজ দুর্ঘটনা

৩০ অক্টোবর সন্ধেয় গুজরাতের মাচ্ছু নজীর ওপরে শতাব্দী প্রাচীন ঝুলন্ত সেতুটি ভেঙে পড়ে। কমপক্ষে ১৩৫ জনের মৃত্যু হয়। মেরামত ও সংস্কারের কারণে সাতমাস বন্ধ রাখার পরে তা ২৬ অক্টোবর খুলে দেওয়া হয়েছিল। গুজরাটি নববর্ষে সেতুটি চালু করা হয়। দুর্ঘটনার সময়ের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছেস, সেই সময় ভিড় উপচে পড়েছিল। এছাড়াও একাধিক ব্যক্তি সেই সময় ব্রিজটিকে দোলনার মতো দোলানোর চেষ্টা করছিলেন। এর কিছুক্ষণের মধ্যে ব্রিজটি নদীর মধ্যে ভেঙে পড়ে।

ধারণ ক্ষমতার ওপরে দর্শণার্থী

ধারণ ক্ষমতার ওপরে দর্শণার্থী

সেতুটির ধারণ ক্ষমতা যেখানে ১৫০, সেখানে দুর্ঘটনার সময় প্রায় ৪০০ জন ছিলেন। ফলে অতিরিক্ত ভিড় দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে উঠে আসছে। দুর্ঘটনার সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গুজরাত সফরে ছিলেন। তিনি পরিস্থিতির পর্যালোচনা একাধিক বৈঠক করেন এবং দুর্ঘটনার পরের দিন হাসপাতালে আহতদের সঙ্গে এবং দুর্ঘটনাগ্রস্তদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+