মোদী সরকারের হাত ধরেই ‘লাভবান’ গুজরাত, ২০১৫ সাল থেকে ৩৫০ শতাংশ বেড়েছে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ

মোদী সরকারের হাত ধরেই ‘লাভবান’ গুজরাত, ২০১৫ সাল থেকে ৩৫০ শতাংশ বেড়েছে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ

কেন্দ্রে মোদী সরকার গঠনের পর, গুজরাতের বিভিন্ন সংস্থাগুলি ৩৫০ শতাংশ বেশি তহবিল পেয়েছিল। সদ্য প্রকাশিত ভারতের কন্ট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল বা ক্যাগ(সিএজি) রিপোর্টে এমনটাই বলা হয়েছে। ভারতের কন্ট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (সিএজি) বলছে ২০১৫ সাল থেকে গুজরাটের বিভিন্ন বাস্তবায়নকারী সংস্থা, বেসরকারি ট্রাস্ট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তিদের কাছে সরাসরি কেন্দ্র থেকে স্থানান্তরিত তহবিলের পরিমাণ ৩৫০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও রাজ্যের বার্ষিক খতিয়ানে এগুলির প্রতিফলন দেখা যায়নি।

ক্যাগের রিপোর্ট নিয়ে জোর চর্চা

ক্যাগের রিপোর্ট নিয়ে জোর চর্চা

এদিকে এই তথ্য সামনে আসার পর থেকে এই বিষয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার গুজরাত বিধানসভায় উপস্থাপিত রাজ্যের আর্থিক খতিয়ান সংক্রান্ত রিপোর্টে, সিএজি সাফ বলছে, ২০১৪ সালের ১ এপ্রিল থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে স্পনসরকৃত স্কিমের জন্য সব ধরনের সাহায্য করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ভারত সরকারের তরফে। পাশাপাশি প্রয়োজন মতো কেন্দ্রীয় অর্থ সাহায্যের রাস্তাও খোলা রাখা হয়। গুজরাতে আবার রাজ্যের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থায় কেন্দ্রীয় তহবিলের সরাসরি হস্তান্তর ২০১৯-২০ সাল পর্যন্তও অব্যাহত ছিল।

প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে

প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে

কেন্দ্র-রাজ্য এই বিশালকার তহবিলের আদানপ্রদান হলেও তার বাস্তবোচিত প্রয়োগ নিয়েও ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে। যা গত কয়েক বছরে ৩৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে গিয়েছে। ২০১৯-২০ আর্থিক বর্ষে কেন্দ্রের তরফে গুজরাতে পাঠানো মোট তহবিলের পরিমাণ ছিল ১১ হাজার ৬৫৯ কোটি। এদিকে ২০১৫-১৬ অর্থ বর্ষে এই পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৫৪২ কোটি।

বেসরকারি সংস্থাগুলি কত টাকা পেল

বেসরকারি সংস্থাগুলি কত টাকা পেল

এর মধ্যে সরাসরি প্রাইভেট সেক্টর কোম্পানির হাতে যায় ৮৩৭ কোটি টাকা। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে যায় ১৭ কোটি টাকা। ট্রাস্টগুলির হাতে যায় ৭৯ কোটি টাকা। এনজিও গুলি পায় ১৮.৩৫ কোটি টাকা। ব্যক্তিগত স্তরে পাঠানো তহবিলের পরিমাণ প্রায় ১.৫৬ কোটি টাকা। যার পুরোটাই কেন্দ্রের তরফে সরাসরি সংশ্লিষ্ট সংস্থার হাতে পাঠানো হয়। মূলত সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রকল্প এবং কর্মসূচির জন্য সরাসরি রাজ্য বাস্তবায়নকারী সংস্থায় তহবিল স্থানান্তর করছে কেন্দ্র।

 কোন জায়গায় বাড়ছে উদ্বেগ

কোন জায়গায় বাড়ছে উদ্বেগ

এদিকে সিএজি-র রিপোর্টেই স্পষ্ট বলা হচ্ছে এই তহবিলগুলি কোনোভাবেই রাজ্যের বাজেট/রাজ্য কোষাগার ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হয়নি। আর এখানেই বাড়ছে উদ্বেগ। এদিকে ওই রিপোর্টেই বলা হচ্ছে ২০১৯-২০ সালে সরাসরি কেন্দ্রীয় তহবিলের একটি বড় অংশ হস্তান্তর হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর কিষাণ সম্মান নিধির অংশ হিসাবে। এই টাকার পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ১৩৩ কোটির কাছাকাছি। আর এখানেই ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে অন্যান্য রাজ্যের ক্ষেত্রে অর্থ বণ্টনের অসামঞ্জস্যের চিত্রটা।

আর কোন কোন প্রকল্পে কত টাকা এল

আর কোন কোন প্রকল্পে কত টাকা এল

অন্যদিকে গান্ধীনগর এবং আহমেদাবাদের জন্য মেট্রো-লিংক এক্সপ্রেস প্রকল্পেও আসে মোটা টাকা। যা এখন গুজরাত মেট্রো রেল কর্পোরেশন নামে পরিচিত। রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের যৌথ উদ্যোগে চলে এই প্রকল্প। এই প্রকল্পের অংশ হিসাবেই আহমেদাবাদ এবং সুরাতে মেট্রো প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। অন্যদিকে ৫৯৩ কোটি টাকা সরাসরি মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান গ্যারান্টি যোজনায় স্থানান্তরিত হয় বলেও জানা যায়। এছাড়াও, সাংসদদের লোকাল এরিয়া ডেভেলপমেন্ট স্কিমের জন্য ১৮২ কোটি এবং প্রধানমন্ত্রীর মাতৃত্বকালীন বেনিফিট প্রোগ্রাম মাতরু বন্দনা যোজনার জন্য ৯৭ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল বলে জানা যাচ্ছে।


খবরের ডেইলি ডোজ, কলকাতা, বাংলা, দেশ-বিদেশ, বিনোদন থেকে শুরু করে খেলা, ব্যবসা, জ্যোতিষ - সব আপডেট দেখুন বাংলায়। ডাউনলোড Bengali Oneindia

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+