AAP National Party: গেরুয়া ঝড়েও কেজরির আপ বাজিগর! জাতীয় দলের মর্যাদা নিশ্চিত গুজরাতের ফলেই
দিল্লি এবং পাঞ্জাবে রয়েছে আম আদমি পার্টির সরকার। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল এবার পেল জাতীয় দলের মর্যাদাও। গুজরাত বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলেই তা সুনিশ্চিত হয়ে গেল। গুজরাতে এবারই বিধানসভা নির্বাচনে খাতা খুলল আপ। বিজেপির গেরুয়া ঝড়ের মধ্যেও মাথা তুলে দাঁড়িয়ে থাকা আপ যেন হেরেও বাজিগর।
|
আপ জাতীয় দল
জাতীয় দলের মর্যাদা পেতে যে কোনও রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন পড়ে চারটি রাজ্যে অন্তত ৬ শতাংশ ভোট। দিল্লি, পাঞ্জাব ও গোয়া বিধানসভা নির্বাচনের পর সেই মাপকাঠি গুজরাতে স্পর্শ করল কেজরির দল। আর তাই নিশ্চিত করে দিল আপের জাতীয় দলের মর্যাদাপ্রাপ্তির বিষয়টি। গুজরাত ও হিমাচল প্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনের যে কোনও একটিতে আপের ২টি আসন ও ৬ শতাংশ ভোট দরকার ছিল। হিমাচলে খাতা খুলতে না পারলেও গুজরাতে সেই লক্ষ্যপূরণ করে ফেলল আম আদমি পার্টি।
|
উৎসবের মেজাজ
দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন ভোটে আপের জয়ের পর থেকেই পার্টি অফিসে বাজতে শুরু করেছিল দেশাত্মবোধক গান। যা মধ্যে ছিল রং দে বাসন্তি চোলা। গুজরাতে যেখানে বিজেপি ১৮২টির মধ্যে রেকর্ড সংখ্যক ১৫৮টি আসন জয়ের দিকে এগোচ্ছে, সেখানে শেষ পাওয়া খবরে আপ অন্তত ৫টি আসনে জিতেছে বা এগিয়ে রয়েছে। কংগ্রেসের আসন সংখ্যা নেমে আসতে পারে ১৬-এ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিজেপির বিপুল জয়ের মধ্যেই দেখার বিষয় হলো কংগ্রেসের ভোট আপের ঝুলিতে যাওয়া। মনে করা হচ্ছে, গুজরাতে অন্তত ১৫ শতাংশ ভোট পেতে পারে আপ।
|
মোদী বনাম কেজরি
দশ বছরের পথ চলার মধ্যেই জাতীয় দলের স্বীকৃতি নিশ্চিত হওয়ায় উচ্ছ্বসিত আপ শিবির। যা কিছুটা অস্বস্তিতে ফেলবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসকে। কেন না সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের বাংলা ছাড়া কোথাও সরকার নেই। ইতিমধ্যেই দিল্লি ও পাঞ্জাবে রয়েছে আপ সরকার। দলের সিনিয়র নেতা তথা রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিং বলেন, এই ফলাফল নিশ্চিতভাবেই মোদী বনাম কেজরিওয়াল দ্বৈরথের পথ প্রশস্ত করল। অদূর ভবিষ্যতেই আরও বড় লক্ষ্যপূরণ করবে আপ।

গর্বে খুশির হাওয়া
ভোট গণনা শুরুর পর থেকে গুজরাতে ৮ থেকে ৯টি আসনে এগিয়ে ছিল আম আদমি পার্টি। অরবিন্দ কেজরিওয়াল আগেই দাবি করেছিলেন তাঁর দল সরকার গঠন করবে। এই সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে সঞ্জয় সিং বলেন, বিজেপির মতো সবচেয়ে বড় দলও বিভিন্ন রাজ্যে সরকার গড়ার কথা বলেও হেরে গিয়েছে নির্বাচনে। প্রত্যেক দলই ভোটে লড়ে জেতার জন্য। ফলে কোনও দাবি ভুল হতেই পারে। আমরা জনগণের রায় মাথা পেতে নিচ্ছি। একইসঙ্গে গুজরাতের মানুষজনকে আমরা অন্তর থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি, আমাদের উপর আস্থা রেখে জাতীয় দলের মর্যাদাপ্রাপ্তির বিষয়টি সুনিশ্চিত করে দেওয়ার জন্য। ১০ বছরের মধ্যে জাতীয় দলের মর্যাদা পেয়ে তাই আপ শিবির গর্বিত। ভোটের সামগ্রিক ফলাফলে দুঃখ পাওয়ার কোনও বিষয় নেই। শুধুই খুশির হাওয়া।












Click it and Unblock the Notifications