বিয়ের জন্য চিন থেকে এ দেশে আসেন হবু বর, করোনাভাইরাস আতঙ্কে পিছিয়ে গেল বিয়ে

বিয়ের জন্য চিন থেকে এ দেশে আসেন হবু বর, করোনাভাইরাস আতঙ্কে পিছিয়ে গেল বিয়ে

হবু বর নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কিনা তা দেখার জন্য তাঁর বিয়ে পিছিয়ে দিতে হল। দু’‌সপ্তাহ আগেই চিন থেকে কেরলে বিয়ের জন্য এসেছিলেন তিনি। কিন্তু স্বাস্থ্য বিভাগের হস্তক্ষেপে যুবকের বিয়ে পিছিয়ে দেওয়া হল, কারণ তিনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কিনা তা দেখার জন্য তাঁকে গৃহবন্দি করে রাখা রয়েছে। মঙ্গলবার কাদানগোদে গ্রাম পঞ্চায়েতে এই বিয়েটা হওয়ার কথা ছিল।

পিছিয়ে গেল বিয়ে

পিছিয়ে গেল বিয়ে

পঞ্চায়েত সূত্রে জানা গিয়েছে, যে তারা বিয়ের একদিন আগে প্রস্তাবিত অনুষ্ঠানের কথা শুনেছেন। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ‘‌আমরা ৩ ফেব্রুয়ারি বিয়ে হবে বলে জেনেছিলাম। স্বাস্থ্য আধিকারিক দ্রুত জেলার মেডিক্যাল অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং আমরা ডেপুটি ডিরেক্টরের কাছে চিঠি পাঠাই। সরকারি আধিকারিকদের এই হস্তক্ষেপের ফলেই পরিবারের পক্ষ থেকে বিয়ে পিছিয়ে দেওয়া হয়।'‌

বিয়ের জন্যই চিন থেকে কেরলে আসেন হবু বর

বিয়ের জন্যই চিন থেকে কেরলে আসেন হবু বর

ওই যুবক চিনের উহান প্রদেশ থেকে ১৫০০ কিমি দূরে ইবুতে কাজ করেন। ১৯ জানুয়ারি তিনি বিয়ে উপলক্ষ্যে কোচি বিমানবন্দরে আসেন। হবু বরকে স্বাস্থ্য আধিকারিকেরা জানান যে সরকারের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কিছু নিয়মাবলীর জন্য যাঁরা যাঁরা চিন থেকে এ দেশে আসবেন তাঁদের বাড়িতে গৃহবন্দি করে রাখার কড়া নির্দেশ রয়েছে। স্থানীয় এক স্বাস্থ্য আধিকারিক জানিয়েছেন যে বুধবার সন্ধ্যায় রিসেপশন হওয়ার কথা ছিল। যেখানে নব বধূকে বরের মা কর্তৃক পুষ্পস্তবক অর্পণ করে অতিথিদের সামনে হলে উপস্থিত করা হয় এবং অতিথিদের জন্য একটি ঐতিহ্যবাহী ‘‌সদ্যা'‌ (‌খাবারের থালা)‌ সাজানো হয়।

কেরলে সবচেয়ে বেশি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত

কেরলে সবচেয়ে বেশি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত

পঞ্চায়েত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২ জন ডাক্তারি বিদ্যার পড়ুয়া, এক ব্যবসায়ী ও এক কর্মরত ব্যক্তি যাঁরা প্রত্যেকেই ওই একই পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বাসিন্দা, চিন থেকে ফিরেছেন এ রাজ্যে। রাজ্যের সরকার চিন থেকে আসা বাসিন্দাদের পরিবারকে জানিয়েছে যে বিয়ে বা অন্য কোনও শুভ কাজ থাকলে তা পিছিয়ে দেওয়ার জন্য। কারণ ইতিমধ্যেই কেরলে করোনাভাইরাস থাবা বসিয়েছে। উহান বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন কেরলের পড়ুয়ার শরীরে করোনাভাইরাসের দেখা মিলেছে। চিনে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে ৪৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে। কেরলের ত্রিশূর, আলাপ্পুঝা ও কাসারাগদ জেলায় এই সংক্রমণ রোগ দেখা গিয়েছে। এগুলি ছাড়া আর কোনও নতুন আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া যায়নি। তবে রাজ্যের ২,৩২১ জন মানুষকে বাড়িতেই পর্যবেক্ষনে রাখা হয়েছে এবং বিভিন্ন হাসপাতালে ১০০টি আলাদা ওয়ার্ড খোলা হয়েছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+