দিল্লি-মুম্বইয়ের তাপমাত্রা অচিরেই বাড়বে ৫ ডিগ্রি! কেমন অবস্থা কলকাতার, চাঞ্চল্যকর তথ্য

দিল্লি-মুম্বইয়ের তাপমাত্রা অচিরেই বাড়বে ৫ ডিগ্রি! কেমন অবস্থা কলকাতার, চাঞ্চল্যকর তথ্য

দিল্লি (delhi) ও মুম্বইয়ের (mumbai) তাপমাত্রা ৫ ডিগ্রি বেড়ে যেতে পারে। ২০৫০-এর মধ্যে বিশ্বের কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্যাসের নির্গমন দ্বিগুণ হলে ১৯৯৫-২০১৪-র তুলনায় ২০৮০-২০৯৯ সালের মধ্যে তাপমাত্রা ওই জায়গায় পৌঁছে যেতে পারে। পরিবেশগত স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা গ্রিনপিস ইন্ডিয়া (green peace india) এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে।

দিল্লির তাপমাত্রা ছাড়াতে পারে ৪৮ ডিগ্রি

দিল্লির তাপমাত্রা ছাড়াতে পারে ৪৮ ডিগ্রি

দিল্লি ও মুম্বইয়ের দড় বার্ষিক তাপমাত্রা ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়বে পারে এই শতাব্দীর শেষ নাগাদ। দিল্লির গড় বার্ষিক সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৯৯৫-২০১৪ সালের জুনের মাঝামাঝি সময়ে ছিল ৪১.৯৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গ্রিনপিস ইন্ডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০৮০-২০৯৯ সালের মঝ্যে তা ৪৫.৯৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যেতে পারে। শুধু তাই নয়, মধ্যের কিছু কিছু বছরে তা যেতে পারে ৪৮.১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

কলকাতা ও চেন্নাইতে বাড়বে তাপমাত্রা

কলকাতা ও চেন্নাইতে বাড়বে তাপমাত্রা

তাপপ্রবাহের অনুমানগুলি জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য আন্তঃ সরকারি প্যানেলের ষষ্ঠ মূল্যায়ন প্রতিবেদনের ওপরে ভিত্তি করে করা হয়েছে। যার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে রাষ্ট্রসংঘের নামও। সেখানে বলা হয়েছে চেন্নাই ২০৮০-২০৯৯ সালের মধ্যে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস উষ্ণ হবে। শহরের বার্ষিক সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বর্তমানের ৩৫.১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে বেড়ে ৩৮.৭৮ ডিগ্রিতে পৌঁছে যাবে। তাপমাত্রা বৃষ্টির প্রভাব পড়বে কলকাতাতেও।
ষষ্ঠ মূল্যয়ন তিনটি ভাগে প্রকাশিত হয়েছে। প্রথমটি প্রকাশিত হয়েছে ২০২১ সালের অগাস্টে, দ্বিতীয়টি ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে আর তৃতীয়টি ২০২২ সালের এপ্রিলে।

কৃষি ও বন্যপ্রাণীর ক্ষতি

কৃষি ও বন্যপ্রাণীর ক্ষতি

গ্রিনপিসের তরফে বলা হয়েছে এই ধরনের তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং তাপপ্রবাহের কারণে কৃষির পাশাপাশি বন্যপ্রাণের ওপরে প্রভাব পড়বে। এছাড়াও খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তাও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠবে।
প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, উপকূল এলাকার তুলনায় অভ্যন্তরীণ শহরগুলিতে তাপপ্রবাহের ঝুঁকি রয়েছে বেশি। এই তাপমাত্রা বৃদ্ধি দিল্লি, লখনৌ, পটনা, জয়পুর, কলকাতার মতো শহরগুলিতে সাধারণ মানুষের ওপরে মারাত্মকভাবে প্রভাব ফেলবে।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব

জলবায়ু পরিবর্তনের জেরে বাড়বে খাদ্য সংকট, এমনটাই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানীরা। এব্যাপারে ভারতের কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে, দেশে খাদ্যের উৎপাদন ১৬ শতাংশ কমে গিয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা করেছেন বিজ্ঞানীরা। কখনও অতিবৃষ্টি তো কখনও অনাবৃষ্টি, সঙ্গে রয়েছে তাপপ্রবাহ। চাষের জন্য প্রাকৃতিক পরিবেশ না থাকায় প্রভাব পড়ছে ফলনে। যার জেরে উৎপাদন কমছে।
বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলেছেন ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে খাদ্য সংকট ৩০ শতাংশ বাড়বে আর ২০৫০ সালের মধ্যে তা ৬০ শতাংশে পৌঁছে যাবে। দারিদ্র বৃদ্ধির জেরে আফ্রিকার মতো পরিস্থিতি তৈরি সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তারা বলছেন, তেল ও গ্যাসের মতো জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো এবং বনাঞ্চল ধ্বংসের কারণে বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউড গ্যাস বাড়ছে, যা বন্যা, খরা এবং গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড়ের সংখ্যা বাড়াচ্ছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+