মধ্যবিত্তের পকেটে টান পড়তে চলেছে, পেট্রোল-ডিজেল ও এলপিজির দাম বাড়াতে চলেছে সরকার
পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনায় অপরিশোধিত তেলের বিশ্ববাজার দর বাড়ায় জ্বালানি ও এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ানোর কথা ভাবছে সরকার। শীর্ষ সরকারি সূত্রে এই খবর মিলেছে। পেট্রোল-ডিজেলের দাম লিটার প্রতি ৪-৫ টাকা এবং রান্নার গ্যাসে সিলিন্ডার প্রতি ৪০-৫০ টাকা বাড়তে পারে। এটি অনুমোদিত হলে, ২০২২ সাল থেকে খুচরো মূল্য অপরিবর্তিত থাকায় প্রায় চার বছরের মধ্যে এই প্রথম মূল্যবৃদ্ধি হবে।
যদিও তেল বিপণন সংস্থাগুলির উপর চাপের কারণে আগেই জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির ইঙ্গিত মিলেছিল। তবে বিধানসভা নির্বাচনের মাঝে সরকার বৃদ্ধির সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছিল।

মূলত পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের জেরে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত বেড়েছে। সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা, শিপিং ঝুঁকি ও দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতা তেলের বেঞ্চমার্ক মূল্য বাড়িয়ে দেওয়ায় তেল বিপণন সংস্থাগুলির উৎপাদন খরচ বেড়েছে। খুচরো জ্বালানির দাম অপরিবর্তিত থাকায় কোম্পানিগুলো লোকসান শোষণ করছে, যা সরকারের আর্থিক বোঝাও বাড়াচ্ছে। ফলে ভর্তুকি বা কর কমানোর মাধ্যমে ভোক্তাদের সহায়তা করার সুযোগ সীমিত হচ্ছে।
সূত্র জানিয়েছে, সরকার পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি ও বিশ্ব জ্বালানি বাজারে এর প্রভাব নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বাকি, তবে আগামী ৫-৭ দিনের মধ্যে মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে যেকোনও ঘোষণা আসতে পারে। অভ্যন্তরীণ আলোচনায় বৃদ্ধির সময় ও মাত্রা সহ বিভিন্ন বিকল্প মূল্যায়ন করা হচ্ছে। কর্মকর্তারা বলছেন, তেল কোম্পানিগুলির আর্থিক চাপ কমানো এবং মুদ্রাস্ফীতিকে নিয়ন্ত্রণ করার মধ্যে সরকার ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে।
জ্বালানি ও এলপিজি দামের বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের পারিবারিক বাজেট ও পরিবহণ ব্যয়ের উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। তাই বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তার এই সময়ে এটি একটি সংবেদনশীল নীতিগত সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications