আধারেই 'শেষ' নয়, এবার এই পদ্ধতিতেও 'নজরদারি', শুরু পাইলট প্রজেক্টের কাজ
এবার ঠিকানাও ডিজিটাল হতে চলেছে। বাড়ির এবং কর্মক্ষেত্রের ঠিকানা ডিজিটালি থাকবে সরকারে কাছে। ঠিক যেমনটা হয়েছিল আধারের ক্ষেত্রে। ব্যক্তিবিশেষকে নথিভুক্ত করা হয়েছিল আধারের নির্দিষ্ট নম্বরের মাধ্যমে।
এবার ঠিকানাও ডিজিটাল হতে চলেছে। বাড়ির এবং কর্মক্ষেত্রের ঠিকানা ডিজিটালি থাকবে সরকারে কাছে। ঠিক যেমনটা হয়েছিল আধারের ক্ষেত্রে। ব্যক্তিবিশেষকে নথিভুক্ত করা হয়েছিল আধারের নির্দিষ্ট নম্বরের মাধ্যমে।

যোগাযোগ মন্ত্রকের অধীনে থাকা ডিপার্টমেন্ট অফ পোস্ট-এর নির্দেশে পাইলট প্রজেক্টের কাজ চলছে। ছটি আলফা-নিউমেরিক ক্যারেক্টারের মাধ্যমেই তৈরি হচ্ছে ডিজিটাল অ্যাড্রেস।
গুগল ম্যাপের মতো প্রত্যেকটি ঠিকানার ই-লোকেশন দেওয়া হবে। এরপর তার সঙ্গে অন্য তথ্য যুক্ত করা হবে। যেমন, বাড়ির নাম, তার মালিকের নাম, প্রোপার্টি ট্যাক্স রেকর্ড, বিদ্যাৎ, জল এবং গ্যাসের তথ্যও যুক্ত করা হবে।
ডিপার্টমেন্ট অফ পোস্টের নেওয়া এক পাইলট প্রজেক্টে আপাতত দিল্লির ২ টি পিনকোড এবং নয়ডার একটি পিনকোড নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। কাজটি করছে ম্যাপ মাই ইন্ডিয়া নামে একটি বেসরকারি সংস্থা। বিষয়টিতে ইসরোর সাহায্যও নেওয়া হচ্ছে।
প্রশাসনিক কাজে ডিজিটাল ঠিকানা ব্যবহারে সময় ও পরিশ্রম দুই-ই বাঁচানো সম্ভব হবে। পাইলট প্রজেক্টে সাফল্য পেলে গোটা দেশেই তা ছড়িয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন, ডিপার্টমেন্ট অফ পোস্টের অ্যাডিশনাল ডায়রেক্টর জেনারেল অভিষেক কুমার সিং।

মাই ম্যয়াপ ইন্ডিয়ার এমডি রাকেশ ভার্মা সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, ই-লিঙ্কেজের মাধ্যমে জটিল ঠিকানাগুলিকে চিহ্নিত করা সম্ভবপর হবে। ই-লক-এর মাধ্যমে বাড়ির দরজায় পৌঁছে যাওয়া যাবে। বাঁচবে সময়, টাকা, জ্বালানি। দাবি করেছেন মাই ম্যয়াপ ইন্ডিয়ার এমডি।
বর্তমানে দেশে বেশিরভাগ ঠিকানাই জটিল। যাকে ডিজিটালি চেনা যায় না। যেমন, ১৪৭ পকেট এক্সএক্স, ২এ জানকাপুরি, এই ঠিকানাটি ডিজিটাল হলে হয়তো হয়ে যাবে ৮জিডিটিওয়াইএক্স। যাকে সহজেই প্রোপার্টি ট্যাক্স, মালিকানা সংক্রান্ত তথ্যের সঙ্গে যুক্ত করা যাবে।
মাই ম্যাপ ইন্ডিয়া দাবি করেছে, এখনও পর্যন্ত তারা প্রায় দু-কোটি ই-লক বানিয়ে ফেলেছেন। যার মধ্যে ব্যক্তি, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান কিংবা সরকারি সংস্থা সবই রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications