দেশ জুড়ে পুলিশের অতি-সক্রিয়তায় বন্ধের মুখে অনলাইন পরিষেবা, হস্তক্ষেপ সরকারের
দেশ জুড়ে পুলিশের অতি-সক্রিয়তায় বন্ধের মুখে অনলাইন পরিষেবা, হস্তক্ষেপ সরকারের
দেশজুড়ে চলছে লকডাউনের জেরে বন্ধ দোকানপাট। মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর চাহিদা মেটাতে ভরসা ছিল বিভিন্ন অনলাইন এবং ই-কমার্স সংস্থা গুলি। কিন্তু করোনার জেরে জোর ধাক্কা খেতে চলেছে বিভিন্ন অনলাইন শপিং সংস্থার ব্যবসায়।

লক-ডাউনে অনলাইন সংস্থাগুলিকে ছাড়ের ঘোষা সরকারের
লকডাউনের জেরে প্রবল বিভ্রান্তির মুখে এই সব সংস্থাগুলি। দেশ জুড়ে লকডাউন ঘোষণা করলেও জরুরি পরিষেবা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী। দেশ জুড়ে কার্ফু চললেও দিল্লি পুলিশ, গুরগাঁও পুলিশ, নয়ডা পুলিশ, আমেদাবাদ পুরসভার তরফে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল আমাজন, ফ্লিপকার্ট, বিগবাস্কেট, সুইগি, জোমাটোর মতো সংস্থাগুলিকে।

অন্য কথা বলছে বাস্ত চিত্র, পুলিশের অতিসক্রিয়তায় বন্ধের মুখে পরিষেবা
কিন্তু বাস্তবের চিত্রটা খানিক আলাদা। গ্রোফার্স, বিগবাস্কেট থেকে শুরু করে বিভিন্ন সংস্থা দাবি করছে যে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন অতি সক্রিয় হওয়ায় কোপ পড়ছে তাদের ব্যবসায়। সংস্থার কর্মীরা যখন সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার জন্য রাস্তায় বেরোচ্ছে, তাদের উপর পুলিশ লাঠিচার্জ করছে বলে অভিযোগ। আটকে দেওয়া হচ্ছে তাদের পণ্য বোঝায় ট্রাক। বিভিন্ন রাজ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে তাদের গোডাউন।

অভিযোগ মেলার পরেই নড়েচড়ে বসছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক
এই ধরণের খবর প্রকাশের পর কিছুটা নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। বাজারে প্রয়োজনীয় পণ্য গুলির ঘাটতি নিয়ে যে 'গুজব' ছড়িয়েছে, সেই বিষয়ে রাজ্যগুলিকে সতর্ক করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী, ওষুধপত্র ইত্যাদির পর্যাপ্ত যোগান যাতে বাজারে থাকে, সে বিষয়ে প্রশাসনকে নির্দেশও দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।












Click it and Unblock the Notifications