নীরব মোদীর প্রতারণা থেকে শিক্ষা! ৯১ জনের দেশ ছাড়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির পথে সরকার
নীরব মোদী, মেহুল চোকসহিরা পালিয়ে যাওয়ার পর চোখ খুলেছে সরকারের। সূত্রের খবর, ঋণ আনাদায়ী থাকা ব্যক্তিদের একটি তালিকা তৈরি করছে সরকার। এরা যাতে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে না পারেন, তাও দেখা হচ্ছে।
নীরব মোদী, মেহুল চোকসহিরা পালিয়ে যাওয়ার পর চোখ খুলেছে সরকারের। সূত্রের খবর, ঋণ আনাদায়ী থাকা ব্যক্তিদের একটি তালিকা তৈরি করছে সরকার। এরা যাতে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে বিষয়টিও দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তবে তালিকায় কাদের নাম রয়েছে তা জানানো হয়নি।

ঋণ অনাদায়ী থাকা বিভিন্ন কোম্পানির ডিরেক্টর কিংবা মালিকদের চিহ্নিত করেছে সরকার। সরকারের মনে হয়েছে এই সব ব্যক্তিদের উপায় থাকা সত্ত্বেও ঋণ ফেরত দিচ্ছেন না তাঁরা। এরকম চারশোটি ভারতীয় কোম্পানিকে চিহ্নিত করা হয়েছে উইলফুল ডিফল্টার হিসেবে। এদের মধ্যে থেকেই ৯১ জনকে রাখা হয়েছে প্রথম তালিকায়।
নীরব মোদী এবং মেহুল চোকসহিরা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পরেই মোদী প্রশাসনের ওপর চাপ বাড়তে থাকে। দেশের বৃহত্তম ব্যাঙ্ক প্রতারণায় সামিল এই দুই ব্যক্তির একাধিক সংস্থা প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত। দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পরেই পুরো বিষয়টি সামনে আসে। আইনসভাতেও এই ধরনের ফিউগেটিভ অফেন্ডারদের নিয়ে বিল পেশ করা হয়। ১০০ কোটি কিংবা তার বেশি ঋণ আছে এইরকম ঋণ খেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকারি সংস্থাকে ক্ষমতা দিতেই এই বিল।
ঋণ খেলাপি সংস্থার একজিকিউটিভদের চিহ্নিত করতে তাঁদের পাসপোর্টের বিস্তারিত ব্যাঙ্কে জমা দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে মোদী প্রশাসনের তরফ থেকে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এদের মধ্যে যাঁদেরকে উইলফুল ডিফল্টার কিংবা প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযুক্ত করা হবে, তাঁরা যাতে দেশ ছেড়ে পালাতে না পারেন সেই বিষয়টিও দেখা হচ্ছে।
এর আগেও দেশে বহুকোটির প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে। এই সমস্ত ঋণ খেলাপিরা দেশ ছেড়ে পালিয়েও গিয়েছেন। যাদের মধ্যে প্রথমেই উল্লেখ করতে হয় বিজয় মাল্যের নাম।












Click it and Unblock the Notifications