২০১৯-২০ আর্থিকবর্ষের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকের জিডিপি কত? জানা যাবে শুক্রবার
২০১৯-২০ আর্থিকবর্ষের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকের জিডিপি কত? জানা যাবে শুক্রবার
শুক্রবার প্রকাশ পেতে চলেছে ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের ভারতীয় জিডিপি। পরিসংখ্যান এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়ন মন্ত্রকের তরফে এই তথ্য প্রকাশ করা হবে। চলতি আর্থিক বর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে ভারতের জিডিপি কমে ৫ শাতংশে দাঁড়ায়। গত ৬ বছরে যা সব থেকে কম। দ্বিতীয় ত্রৌমাসিকে সেই প্রবৃদ্ধির হার আরও কমে ৪.৩ শতাংশে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এবার নতুন তথ্যের দিকে তাকিয়ে দেশবাসী।

বৃদ্ধির হারের পূর্বাভাসের গ্রাফ নিম্নগামী
কয়েক দিন আগেই আইএমএফ ভারতের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাসকে ৯০ বেসিক পয়েন্ট কমিয়ে ৬.১ শতাংশ করেছে। এটি সাত মাসে দ্বিতীয় বার হল, যখন দেসের অর্থনীতির বৃদ্ধির হারের পূর্বাভাসের গ্রাফ নিম্নগামী। এর জেরে ভারতের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাসের ক্ষেত্রে মোট ১২০ বেস পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে গত সাত মাসে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ বলে, ভারত তাদের দেশের অর্থনীতির মৌলিক বিষয়গুলির ক্ষেত্রে ভালো কাজ করেছে। তবে দীর্ঘমেয়াদের বৃদ্ধির হার বজায় রাখা সহ বেশ কিছু সমস্যা রয়েছে দেশের অর্থনীতিতে, সেগুলির সমাধান করা দরকার।

সব ব্যাঙ্কের আর্থিক বৃদ্ধি কমেছে
এদিকে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সম্প্রতি প্রকাশিত এক রিপোর্টে বলা হয়েছে যে গত দুই বছরে দেশের প্রায় সব ব্যাঙ্কের আর্থিক বৃদ্ধি কমেছে। ব্যাঙ্কের উপর ঋণের বোঝা চেপেছে প্রায় ৮.৮ শতাংশ। যা ভয়ঙ্কর রকমের বেশি বলে দাবি করেছেন অর্থনীতিবিদরা। পাশাপাশি ঘাটতি ধেখা দিয়েছে মূলধনের ক্ষেত্রে। এদিকে অনাদায়ী ঋণ ফেরানো তো দূরের কথা এখনও একাধিক ব্যাঙ্কে প্রায় ৩৭,০০০ কোটি টাকা অনাদায়ী ঋণ জমে গিয়েছে। ব্যাঙ্কগুলির হাল ফেরাতে প্রায় ৫ বার রেপোরেট কমিয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। তারপরেও অবস্থার কোনও পরিবর্তন চোখে পড়ছে না।

মন্দা পরিস্থিতি নিয়ে উত্তাল সংসদ
এদিকে দেশে এই মুহূর্তে মন্দা পরিস্থিতি রয়েছে অভিযোগে বারবার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিরোধীরা। বিরোধীদের কথার জবাব দিতে গিয়ে এদিন অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ ফলপ্রসূ হচ্ছে, তার ফলে বিভিন্ন সেক্টর যেমন অটোমোবাইল সেক্টরে পুনরায় ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। পাশাপাশি যে পদক্ষেপগুলি কেন্দ্রের তরফে নেওয়া হচ্ছে সেগুলিও রেকর্ড করে রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নির্মলা। তিনি বলেন, ২০০৯-২০১৪ শেষে ভারতের আসল জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিল ৬.৪ শতাংশ, কিন্তু ২০১৪-২০১৯ সালের মধ্যে এটি ছিল ৭.৫%। অর্থমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর কংগ্রেস সদস্যরা কক্ষত্যাগ করেন।












Click it and Unblock the Notifications